বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার আসন্ন দুই টেস্টের সিরিজকে একটি ‘নতুন ও ব্যতিক্রমী’ সুযোগ হিসেবে দেখছেন অজি ফাস্ট বোলার জশ হ্যাজলউড। দীর্ঘদিন পর লাল বলের ক্রিকেটে দুদল মুখোমুখি হতে যাওয়ায় এবং ভেন্যু নিয়ে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় ম্যাচ ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রোমাঞ্চ।
অস্ট্রেলিয়ার ডারউইন টেস্টকে সামনে রেখে পডকাস্ট ‘আনপ্লেয়েবল’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হ্যাজলউড বলেন, ‘সিরিজটা শুরু করার আগে অনেক কিছুই অজানা। মাঠের পরিস্থিতি অজানা, বিশেষ করে উইকেট এবং এই অবস্থায় প্রতিপক্ষের ধরনটা কেমন হবে। ফলে অনেক কিছুই অজানা, তবে আমার মতে এটা বেশ রোমাঞ্চকর।’
পেশাদার ক্রিকেটে চারশর বেশি ম্যাচ খেললেও টেস্ট ফরম্যাটে বাংলাদেশের বিপক্ষে কেবল একটি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে ৩৫ বছর বয়সি এই পেসারের। ২০১৭ সালে খেলেন মিরপুর টেস্ট। সেই স্মৃতি ও সীমিত তথ্যের ভিত্তিতে কৌশল সাজানো নিয়ে হ্যাজলউড জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে ব্যাটসম্যানদের খেলার ধরন কিছুটা বোঝা সম্ভব হলেও মাঠে নেমে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি বুঝে নতুন পরিকল্পনা করার প্রয়োজন হতে পারে।
টেস্ট ক্রিকেটে নিজের কৌশল কতটা সাধারণ রাখেন—সে বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে হ্যাজলউড যোগ করেন, ‘পরিকল্পনাটা খুবই সাধারণ। আসল বিষয় হলো ঠিকঠাক বাস্তবায়ন এবং দীর্ঘ সময় ধরে সেটা ধরে রাখা। খেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঠের পরিস্থিতিতে খানিকটা পরিবর্তন আসতেই পারে, তবে মোটের ওপর এটি খুব সাধারণ একটি কৌশল।’ টি-টোয়েন্টির মতো সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের তুলনায় টেস্টে নিজের ভুল শুধরে মানিয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ থাকে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
‘আনপ্লেয়েবল পডকাস্ট’-এর সহ-সঞ্চালক ও অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার কেইন রিচার্ডসন কন্ডিশন নিয়ে বলেন, ‘কন্ডিশন নিয়ে কী আশা করব, তা নিশ্চিত নই। তবে এটা অন্তত প্রথম দিনে পার্থ কিংবা গ্যাবায় খেলার মতো হবে না। অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ টেস্ট উইকেটের মতো ফাস্ট বোলাররা এখানে অতিরিক্ত মুভমেন্ট, সুইং বা বাউন্স পাবেন বলে আমার মনে হয় না। বরং নিচু বাউন্সের বিবেচনায় কন্ডিশন অনেকটাই বাংলাদেশের পিচের মতো হতে পারে।’
আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার এই মাঠে কন্ডিশন অচেনা হলেও নিজের পরিকল্পনা ও সঠিক প্রয়োগের ওপরই মূল নজর রাখছেন হ্যাজলউড।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

