গাজা ভূখণ্ডে বিদ্যুৎ ও খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলে আখ্যায়িত করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। গতকাল বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
গাজার ক্ষমতাসীন এই গোষ্ঠীটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ১৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজায় ইসরায়েলের চলমান বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা এবং দেইর আল-বালাহ ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টে বিদ্যুৎ সরবরাহের সীমিত লাইন সম্প্রতি বিচ্ছিন্ন করাটা যুদ্ধাপরাধ যা তৃষ্ণার্ত মানুষের বিপর্যয়ের মুখে পতিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে ইসরায়েলের পানি ও খাদ্যকে ব্যবহার করছে এবং গাজার মানবিক বিপর্যয়কে আরও খারাপ করার একটি পদ্ধতিগত প্রচেষ্টার অংশ।
একইসঙ্গে গাজার ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দার ওপর ‘অভূতপূর্ব সমন্বিত শাস্তি’ আরোপের জন্যও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে অভিযুক্ত করেছে হামাস।
আনাদোলু বলছে, যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময় চুক্তি সত্ত্বেও ফিলিস্তিনি এই ভূখণ্ডের ওপর অবরোধ আরোপের সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে গত রোববার ইসরায়েল গাজায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।
জাতিসংঘের স্পেশাল র্যাপোর্টিয়ার ফ্রান্সেসকা আলবানিজ ইসরায়েলি এই পদক্ষেপকে ‘গণহত্যার সতর্কতা’ হিসেবে নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, বিদ্যুৎ ছাড়া পরিষ্কার পানি পাওয়া যাবে না। গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ বন্ধ করার ইসরায়েলি সিদ্ধান্তের পরে স্থানীয় এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো ফিলিস্তিনি জনগণের অনাহারের সম্মুখীন হওয়ার বিষয়েও সতর্কতা জারি করেছে
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

