ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য বদলে হরমুজে নজর যুক্তরাষ্ট্রের

আমার দেশ অনলাইন
আমার দেশ অনলাইন

ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য বদলে হরমুজে নজর যুক্তরাষ্ট্রের
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলো উদ্ধারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ‘এসকর্ট মিশন’ বা প্রজেক্ট ফ্রিডমকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের লক্ষ্য উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন মেরিন কোর স্পেশাল অপারেশন বিশেষজ্ঞ জোনাথন হ্যকেট আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেছেন।

বিজ্ঞাপন

সাবেক এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, গত ৬০ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের উদ্দেশ্য বদলেছে। হ্যকেট বলেন, ‘এই সংঘাতের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত লক্ষ্য ছিল ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন এবং তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবস্থা ধ্বংস করা। তবে ৬০ দিন পার হওয়ার পর এখন সেই লক্ষ্য সরে এসে হরমুজ প্রণালি কেন্দ্রিক অর্থনৈতিক ফলাফলের দিকে মোড় নিয়েছে।’

তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি হয়তো একটি অর্জনযোগ্য লক্ষ্য এবং সম্মানজনকভাবে সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার সহজ পথ।

ট্রাম্প এই অভিযানকে ‘মানবিক অপারেশন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এ প্রসঙ্গে হ্যকেট বলেন, মানুষ কতদিন সেখানে আটকে আছে এবং তাদের খাদ্য ও পানির মজুদ কতটা কমেছে, তা বিবেচনা করার প্রয়োজন রয়েছে। তবে এর একটি কূটনৈতিক দিকও আছে।

হ্যকেট প্রশ্ন তোলেন, ‘যদি জাহাজে থাকা ব্যক্তিরা এমন কোনো দেশের নাগরিক হন যাদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নেই, তবে কি যুক্তরাষ্ট্র তাদের খাবার ও আশ্রয় দিতে প্রস্তুত? না-কি কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে তাদের অগ্রাধিকার বদলে যাবে?’

এই অভিযানে ইরান বাধা দিলে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন হ্যকেট।

তিনি জানান, যদি মুখোমুখি সংঘাত শুরু হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত ফুরিয়ে আসবে। তখন তারা কেবল জাহাজকে পাহারা দেবে না, বরং রক্ষকের ভূমিকা নিতে বাধ্য হবে। আর এটি বীমা কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন এক ঝুঁকির হিসাব তৈরি করবে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এএম

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন