মার্কিন মধ্যস্থতায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও সংগঠনটি বিলুপ্ত করার প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে ইসরাইলের মধ্যে সন্তুষ্টি নেই বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক রাষ্ট্রদূত অলোন পিনকাস। তার মতে, ঘোষিত সমঝোতা বাস্তবে কার্যকর রূপ না পাওয়ায় এর সফলতা নিয়ে গুরুতর সংশয় রয়েছে।
চুক্তির ঘোষণা দেওয়ার পর গত ৪৮ ঘণ্টায় গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সামরিক অভিযান আরো জোরদার হয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত শান্তি প্রক্রিয়ায় ইসরাইল আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়েছে, যা দেশটির অসন্তোষেরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন পিনকাস। তিনি বলেন, চুক্তির কথা বলা হলেও বাস্তবে এখনো কার্যকর কোনো সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
পিনকাসের ভাষ্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিকভাবে বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযানের প্রত্যাশিত ফল না আসাও তার সরকারের জন্য আরেকটি নেতিবাচক দিক। আগামী অক্টোবরে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গাজার পরিস্থিতি ইতিবাচকভাবে জনগণের সামনে উপস্থাপন করা নেতানিয়াহুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চুক্তি অনুযায়ী হামাস কিছু শর্ত মেনে নেওয়ার পর ইসরাইলেরও কয়েকটি দায়বদ্ধতা ছিল। এর মধ্যে বাফার জোনে সেনা পুনর্বিন্যাস, গাজায় বাধাহীন মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি এবং সামরিক হামলা বন্ধ করার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে গত শুক্রবার সমঝোতার ঘোষণা এলেও এসব শর্ত বাস্তবে কার্যকর হতে দেখা যায়নি বলে দাবি করেন সাবেক এই রাষ্ট্রদূত।
সূত্র: আল-জাজিরা
এআরবি
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


