মিশর বন্দরে মার্কিন ট্যাংকারে ড্রোন হামলা, দুই জাহাজে ভয়াবহ আগুন

মিশর বন্দরে মার্কিন ট্যাংকারে ড্রোন হামলা, দুই জাহাজে ভয়াবহ আগুন
ছবি: সংগৃহীত

মিসরের ভূমধ্যসাগরীয় দামিয়েত্তা বন্দরে থাকা একটি মার্কিন মালিকানাধীন তেলবাহী ট্যাংকারে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলার পর ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায় এবং তা দ্রুত পাশেই থাকা আরেকটি জাহাজে ছড়িয়ে পড়ে।

গতকাল বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা অ্যামব্রে জানিয়েছে, দামিয়েত্তা বন্দরে নোঙর করা মার্কিন মালিকানাধীন একটি ট্যাংকার লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়।

বন্দরসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইঞ্চকেপ পৃথক বার্তায় জানায়, এ ঘটনায় দামিয়েত্তায় দুটি গ্যাসবাহী ট্যাংকারে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়।

সংশ্লিষ্ট তিনটি বাণিজ্যিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি প্রথমে ভাসমান তেলবাহী ট্যাংকার ‘এনার্গোস উইন্টারে’ আঘাত হানে। এতে ট্যাংকারটিতে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন ধরে যায়। পরে সেই আগুন কাছেই থাকা ‘গ্যাসলগ সালেম’ নামের আরেকটি জাহাজে ছড়িয়ে পড়ে।

দুটি পৃথক নিরাপত্তা সূত্রও নিশ্চিত করেছে যে ড্রোন হামলার কারণেই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।

অ্যামব্রে আরো জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরপরই ট্যাংকারে থাকা সব কর্মী ও নাবিকদের দ্রুত নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে এ হামলার দায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি।

ইরানকে ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কঠোর জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গতকাল বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই হামলার জন্য তেহরানকে চরম মূল্য দিতে হবে।

জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার প্রসঙ্গ টেনে ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের ভয়াবহভাবে আঘাত করব। আমরা তাদের ওপর প্রচণ্ড হামলা চালাব। তারা এর জন্য কঠিন মূল্য দেবে।’

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, জর্ডানে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই মাঝআকাশে ভূপাতিত করা হয়েছে।

সেন্টকমের ওই দাবির পরপরই ইরানের বিরুদ্ধে এই সামরিক পদক্ষেপের কড়া সতর্কবার্তা দিলেন ট্রাম্প।

ইরানের এই পদক্ষেপকে ‘আকস্মিক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে পৌঁছানোর আগে প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের হাতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় ছিল।

এএম

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন