ইরান দীর্ঘ সময় ধরে একটি চুক্তির দিকে এগোচ্ছে এবং দেশটি ধ্বংস হয়ে গেছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই এমন দাবি করে আসছেন।
তিনি জোর দিয়ে বলছেন, প্রয়োজনে তিনি আরো দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে পারবেন।
ট্রাম্পের দৃঢ় বিশ্বাস, ইরানের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ, হরমুজ প্রণালিতে বাধা এবং দেশটির বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো দেশটিকে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যে শর্তগুলো দেবে, কেবল সেই শর্তেই এই আলোচনা হতে হবে।
বাস্তব চিত্র ভিন্ন হলেও ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো প্রকাশ্যে বিশ্বাস করেন, ইরান শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করবে।
তিনি বারবার বলেছেন, যুদ্ধবিরতির বিষয়টি একটি উন্মুক্ত প্রক্রিয়া এবং এটি বজায় থাকবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই নেবেন।
জানা গেছে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর না বাড়লে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে ট্রাম্পের সামনে সামরিক ও গোয়েন্দা উপদেষ্টারা বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে সশস্ত্র পদক্ষেপ বা তীব্রতর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিভিন্ন বিকল্প সামনে থাকলেও পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একাই নেবেন।
সূত্র : আল-জাজিরা
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

