বৈশ্বিক প্রভাব মোকাবিলায় নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সামরিক বাজেট বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা কৌশলের সর্বশেষ দ্বিবার্ষিক হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছেন, আগামী এক দশকে প্রতিরক্ষা খাতে অতিরিক্ত ৫ হাজার ৩০০ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার (৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
রিচার্ড মার্লেস বলেন, অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের মধ্যে সবচেয়ে জটিল ও হুমকির মুখোমুখি। এর ফলে চলতি বছর দেশটির প্রতিরক্ষা বাজেট মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২.৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০৩৩ সাল নাগাদ ৩ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
অস্ট্রেলিয়ার এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো চাপে নেওয়া হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে মার্লেস বলেন, এটি কোনো বাহ্যিক চাপে নয়, বরং বর্তমান কৌশলগত পরিস্থিতির নিরিখে নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন তাদের জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশলে মিত্র দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আরো বেশি করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।
অস্ট্রেলিয়ার এই বিশাল সামরিক বিনিয়োগের বড় একটি অংশ ব্যয় হবে পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন বহরের জন্য। যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা জোট ‘অকাস’-এর আওতায় মার্কিন প্রযুক্তিতে অন্তত আটটি সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির।
সামগ্রিক এই উদ্যোগের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া মূলত বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা ও ইরানের যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট পরিবর্তিত ভূরাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান আরো শক্তিশালী করতে চাইছে।
সূত্র : আলজাজিরা
এএম
এসআই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

