ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখনো এই চুক্তির মূল খসড়া বা লিখিত পাঠ্য প্রকাশ করা হয়নি।
তবে জানা গেছে, চুক্তিটি চূড়ান্ত করতে চলতি সপ্তাহেই কিছু আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এই আলোচনাগুলো কাতারে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের আগে চুক্তির বেশ কিছু সূক্ষ্ম ও নিখুঁত বিষয় চূড়ান্ত এবং মীমাংসা করার লক্ষ্যে এই বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকে এই ঘোষণার সময়কালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় তখন ছিল রোববার সন্ধ্যা। ব্যবসায়ী ও আর্থিক খাতের মানুষ হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভালো করেই জানতেন এশিয়ার বাজারগুলো চালু হতে যাচ্ছে এবং তারা পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। কারণ ট্রাম্প নিজেই পুরো সপ্তাহজুড়ে আভাস দিয়েছিলেন রোববারই একটি ভার্চ্যুয়াল চুক্তি সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।
ফলে নিজের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা বজায় রাখা ট্রাম্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এই ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে ‘ব্রেন্ট ক্রুড’ তেলের দাম ৪ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮৪ ডলারে নেমে আসে এবং আর্থিক বাজারগুলোতেও শূন্য দশমিক ৯ শতাংশের মতো মৃদু উত্থান দেখা যায়।
সূত্র: আল-জাজিরা
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


