রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী সরকারের সুবিধাভোগীরা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বাগিয়ে নিয়েছে ২১৪টি প্লট। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে রাজউক। ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪-এর জুলাই পর্যন্ত সংস্থাটির বিভিন্ন আবাসিক প্রকল্পে এসব প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক বিবেচনায় এসব প্লট বরাদ্দ দেওয়া হলেও দেখানো হয়েছে রাষ্ট্রের জন্য কথিত ‘বিশেষ অবদান’-এর স্বীকৃতি হিসেবে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পিয়ন, গাড়িচালক, পিএস, এপিএস, রাজউক, গৃহায়ন ও পূর্ত মন্ত্রণালয়সহ দলটির সুবিধাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এসব প্লট ভাগবাঁটোয়ারা করে নিয়েছেন। এছাড়া রাষ্ট্রের জন্য ‘বিশেষ অবদান’-এর প্লট পেয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সিআইডির সাবেক প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া, সাবেক ডিবিপ্রধান আব্দুল বাতেন। ডিবির আরেক সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন উর রশীদ প্লট নিয়েছেন তার মায়ের নামে।
জালিয়াতি করে নেওয়া এসব প্লটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত কীÑজানতে চাইলে রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু আমার দেশকে বলেন, আমরা উচ্চ আদালতের নির্দেশে কাজ করছি। এর আগে আদালত এ বিষয়ে একটি কমিটি করে দিয়েছিল। তারা প্লটগুলো চিহ্নিত করে তালিকা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। এখন আদালত যেভাবে সিদ্ধান্ত দেবে, আমরা সেভাবে বাস্তবায়ন করব।
রাউজক জানায়, আওয়ামী আমলে অনিয়মের মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া প্লটের তথ্য খুঁজতে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মহ. মনিরুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়। এতে অন্য দুই সদস্য ছিলেনÑঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাসিন এবং রাজউকের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ)। কমিটি ইতোমধ্যে যাচাই-বাছাই করে প্রায় ২১৪টি প্লট বাতিলের সুপারিশ করেছে।
রাজউক থেকে প্রাপ্ত তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশের জন্য বিশেষ অবদানের কোটায় রাজউকের প্লট পেয়েছেন আওয়ামী লীগের কয়েকজন পিয়ন। এদের মধ্যে উত্তরা প্রকল্পে প্লট পান মিজানুর রহমান মিন্টু ও শেখ লোকমান। এছাড়া চিত্রনায়িকা অরুণা বিশ্বাস, অঞ্জনা সুলতানা, অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য সুবর্ণা মোস্তাফা, জয়া আহসান, শমী কায়সার, কবি অসীম কুমার সাহা ও মিনা বড়ুয়াও প্লট পেয়েছেন।
রাজউক কর্মকর্তারা জানান, উচ্চ আদালতের করে দেওয়া কমিটি পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৯৪৪টি, ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের ২৬০টি, উত্তরা আদর্শ শহর প্রকল্পের ২২১টিসহ মোট ১,৪২৫টি প্লটের তালিকা করেছে। সবকটি যাচাই-বাছাই করে ২১৪টির মতো প্লট বাতিলের সুপারিশ করেছে কমিটি।
বিশেষ অবদানের প্লট যাদের নামে
আওয়ামী আমলে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাজউক আইনের ১৩/এ (১) সি (সরকারের বিশেষ অবদান বা সংরক্ষিত কোটায় প্লট বরাদ্দ) ও ০৭ (৩) (ঘ) ধারায় লিজ দলিল, হস্তান্তর করা হয়েছে বেশকিছু প্লট। বরাদ্দপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেÑরাজনৈতিক ব্যক্তি, ব্যাংকার, আইনজীবী, অভিনেত্রী, সাংবাদিক, বেসরকারি চাকরিজীবী, মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য কোটার প্লট গ্রহীতা।
যারা এ কোটায় প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেনÑজনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাত, সাংবাদিক মিথিলা ফারজানা, সাংবাদিক সাজেদা পারভীন, ব্যবসায়ী হাবীবুর রহমান, গোলাম মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহিদুজ্জামান আলমগীর, আজিজুর রহমান, ব্যবসায়ী শাহীনা আক্তার, সুলতানা নিলুফার জাহান, রাকিয়া সুলতানা, শেফালী বেগম, সাবেক এমপি মাহবুব আরা গিনি, ব্যবসায়ী মাজহারুল আলম, মাহবুবুর রহমান।
চিকিৎসক ডা. আব্দুল আজিজ, বেসরকারি চাকরিজীবী সাবরিনা সাদেক, সাবেক এমপি বিএম নজরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, হাসিনা কিবরিয়া, মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, বেসরকারি চাকরিজীবী খন্দকার মনোয়ার মোর্শেদ, রবিউল আফতাব, সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রহমানের মেয়ে ইভানা রহমান, ব্যবসায়ী ডলি ইকবাল, সাবেক এমপি জিন্নাতুল বাকিয়া, গাইনি কনসালটেন্ট ডা. মাহমুদা বেগম।
ব্যবসায়ী একেএম শহিদুল্লাহ, মুন্সীগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সোহেলা পারভীন ভানু, ঢাকা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ (রতন), আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাবীবুর রহমান, ব্যবসায়ী শারমিন ইসলাম, সাবেক এমপি নাজমা আক্তার।
ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন উর রশীদের মা জহুরা খাতুন (গৃহিণী), ব্যবসায়ী শাহানারা বেগম, গোপালগঞ্জের আব্দুল কাদের মোল্লার মেয়ে নাসিমা বেগম, কুমিল্লার সাবেক এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ সাকীব বাদশা, সূত্রাপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী আবু সাঈদ, মোহাম্মদপুরের গৃহিণী মেহেরুন নাহার বেগম।
অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, সাবেক এমপি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আওয়ামী লীগের অফিস সহকারী (পিয়ন) মিজানুর রহমান মিন্টু ও শেখ লোকমান, ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা লীগের সদস্য পারুল আক্তার, সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ, ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা, ব্যবসায়ী মো. টিপু গং, আইনজীবী আফসার উদ্দিন খান, ব্যবসায়ী ড. আওলাদ হোসেন, বেসরকারি চাকরিজীবী মিসেস আম্বিয়া খানম, আবুল বাশার খান, মিসেস বাদল আকন্দ (স্মৃতি ঢালী)।
সাবেক এমপি সামসুজ্জোহার স্ত্রী নাগিনা জোহা, ব্যবসায়ী তাহসিন সিদ্দিকী, গোলাম রাব্বী, সাখাওয়াত উল্লাহ, সাবেক এমপি একেএম এনামুল হক, ব্যবসায়ী কামরুন নাহার, সাবেক গণপরিষদ সদস্যের স্ত্রী ফরিদা আক্তার কাউছার, ব্যবসায়ী সৈয়দ মুসা আরিফ, বিপুল ঘোষ শংকর, মনিরুল ইসলাম, কদর উদ্দিন, মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, মির্জা গোস্বামী, কক্সবাজারের চকরিয়া থানা মহিলা লীগের সদস্য হাছিনা বেগম, সাবেক এমপি তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ ও মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মনোরঞ্জন ঘোষাল।
এছাড়াও বিশেষ অবদানের প্লট পেয়েছেনÑমনিরুন্নেছা, ব্যবসায়ী আফজারুল করিম, বেসরকারি চাকরিজীবী মং থোয়াই চিং, কবি অসীম কুমার সাহা, ব্যবসায়ী মোল্লা ফজলুর রহমান, গৃহিণী সৈয়দা সালমা হক, আইনজীবী ফরহাদ আহম্মেদ, মুক্তিযোদ্ধা সুখরঞ্জন বেপারী, বেসরকারি চাকরিজীবী শাহজাহান মিয়া, আইনজীবী সফিকুল আলম, চিত্রনায়িকা অঞ্জনা সুলতানা।
সাবেক এমপি শাদাব আকবর চৌধুরী লাবু, মুক্তিযোদ্ধা সানোয়ার খান, সাবেক মহিলা এমপি সুবর্ণা মোস্তফা, ডিজিএফআইয়ের হামিদুর রহমানের স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকি, বেসরকারি চাকরিজীবী রাসেল আক্তার, নাসিমা আক্তার, সাবেক এমপি পুত্র ড. মকবুল কাদের কোরাইশী।
রাজনৈতিক বিবেচনায় হিজড়া প্রতিবন্ধী রফিকুল ইসলাম ও মো. সামসু, ৬৯ শহীদ মতিউর রহমানের বাবা আজহার আলী মল্লিক, লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি তোজাম্মেল হক দুলাল, বেসরকারি চাকরিজীবী শাহ আলম, ব্যবসায়ী গাজী লুৎফুল কবির (রেনু), আইনজীবী শেখ আবু সাঈদ, সাবেক এমপি ফজলে হোসেন বাদশা, ব্যবসায়ী মিসেস নাসরিন বেগম ওরফে সৈয়দা নাসরিন বেগম, বেসরকারি চাকরিজীবী জাহিদুল হক, হেলেনা বেগম, ব্যবসায়ী নূরুল হুদা, সাচ্চু মিয়া, সাবেক এমপি ইকবালুর রহমান, সাবেক যুব ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন সিকদার।
প্লট নিয়েছেন সরকারি চাকরিজীবী ৯৬ জন
এছাড়া রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ অবদানের প্লট পেয়ে লিজ দলিল ও ছাড়পত্র নিয়েছেন ৯৬ জন। তারা হলেনÑসরকারি চাকরিজীবী সাবিহা পারভীন, ডা. একেএম শরিফুল হাসান, মেজর (অব.) শোয়েব তারিক উল্লাহ, চিকিৎসক আবদুল আজিজ, স্কোয়াড্রন লিডার আবদুল্লাহ আল মামুন, চৌধুরী জিয়াউল কবির, সাবেক অতিরিক্ত আইজি ও সিআইডিপ্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া।
ঢাকার সাবেক পুলিশ কমিশনার হাবীবুর রহমান, সরকারি চাকরিজীবী মীর মঞ্জুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব উম্মে সালমা তানিয়া, সরকারি চাকরিজীবী ফয়েজ আহম্মদ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব নাজমুছ সাদাত সেলিম, সাবেক এমপি সাজ্জুদুল হাসান, শেখ হাসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার এসএম খুরশীদ আলম, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এডিসি নাঈম হাসান ও মোহাম্মদ ইলিয়াস রাসেল, গৃহায়ন ও পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপসচিব শায়লা ফারজানা।
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার গাজী হাফিজুর রহমান লিকু, ফাতেমা ইয়াসমিন ইভা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব আল মামুন, সাবেক ডিআইজি আব্দুল বাতেন মিয়া, অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী চুয়াডাঙ্গার শরিফা রশীদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক এনডিসি ড. নমিতা হালদার, অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ শামীম মুশফিক, আরিফুজ্জামান নূরন্নবী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মকবুল হোসেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নূর এলাহি মিনা, উপপ্রেস সচিব নজরুল ইসলাম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ফয়েজ আহম্মদ ও ডা. তাহমিনা সুলতানা।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক ডিজি আমজাদ হোসাইন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাবিহা পারভীন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান সাঈদ নূর আলম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব একেএম আলী আজম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, পূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, গৃহায়ন ও পূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শামছুন্নাহার ও মোল্লা খসরুজ্জামান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আক্তারুজ্জামান, এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শেখ মো. মহসিন, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি জাফর সিদ্দিক, সাবেক সচিব লোকমান হোসেন, রাজউকের সাবেক সদস্য মেজর সামসুদ্দিন আহম্মদ, গৃহায়ন ও পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব মোতাহার হোসেন, শেখ নূর মোহাম্মদ, অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান, সাবেক সচিব কাজী ওয়াছিউদ্দিন, সাবেক উপসচিব রকিবুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব শওকত আলী, আহসান হাবীব তালুকদার, আরিফুর রহমান, যুগ্ম সচিব খুরশিদ আলম, রাজউকের সাবেক সদস্য নাসির উদ্দিন, নূরুল ইসলাম।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব কাজী শাহজাহান, যুগ্ম সচিব আ ন ম নাজিম উদ্দিন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব বেগম জোবাইদা রহমান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব খলিলুর রহমান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব সত্যজিত কর্মকার, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী আলী আকতার হোসেন, গৃহায়ন ও পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপসচিব হেমন্ত হেরী কুবি, এনএসআইয়ের সাবেক ডিডি এসএম আকবর হোসেন, দুদকের সাবেক ডিজি মো. আসাদুজ্জামান, সাবেক সচিব লোকমান হোসেন মিয়া।
সাবেক ভূমিমন্ত্রীর একান্ত সচিব সত্যব্রত সাহা, আরএইচডি বিভাগের সাবেক সচিব মোজাম্মেল হক খান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নার্সিং অফিসার মেজর নিলুফার আক্তার, রাজউকের সাবেক উপপরিচালক মো. কায়েসুজ্জামান, সরকারি চাকরিজীবী মনোজ কান্তি বড়াল, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক স্পিকারের পিএস এমএ কামাল বিল্লাহ, সরকারি চাকরিজীবী মাছুরা হোসেন, গণভবনের ব্যক্তিগত স্টাফ মো. শাহীন, বিজ্ঞানী ড. আব্দুল মজিদ, সাবেক প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা সরোয়ার জাহান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার জুনায়েদ শেখ, মোনজিলা ফারুক,
সরকারি চাকরিজীবী মো. আনোয়ারুজ্জামান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক আবদুল হালিম মোল্লা, সাবেক উপসচিব গীতা পাল, সরকারি চাকরিজীবী করপোরাল আশরাফ আলী খান বীরপ্রতীক (অব.), ওয়াশিংটনে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রটোকল সহকারী বখতিয়ার হোসেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনিছুর রহমান মিয়া, সরকারি চাকরিজীবী ড. আশরাফুল ইসলাম বাবুল।
রাজউকের সাবেক ডিডি শফিউল আজম, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান বজলুল করিম চৌধুরী, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টার একান্ত সচিব একেএম শামসুল আলম, ডিএফপির ক্যামেরাম্যান লুৎফর রহমান, আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম শামসুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক ওয়াহিদা আক্তার, এসএম তরিকুল ইসলাম, রাজউকের ডিডি বাবুল মিয়া ও সাবেক যুগ্ম সচিব মাসুম পাটোয়ারী।
আরো যারা পেয়েছেন
রাজউক থেকে মিথ্যা তথ্য নিয়ে বরাদ্দ নেওয়ার পর কিছু প্লটের লিজ দলিল নেওয়া হয়েছে। এ তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তারা হলেনÑসাবেক এমপি আনোয়ার হোসেন, লিয়াকত হোসেন রনি, ফজলুর রহমান খান ফারুক, আমির হোসেন কালু, সিরাজুল ইসলাম ও মোসাম্মৎ জিন্নাত আরা।
চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র হয়নি যাদের
এদিকে সাময়িক বরাদ্দপত্র জারি হলেও চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র হয়নি এ তালিকায় রয়েছেনÑমুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, উপসচিব হুমায়ুন কবির, গৃহায়নের সাবেক সচিব নবিরুল ইসলাম, খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব হামিদুর রহমান খান, সাবেক এমপি রাগেবুল আহসান রিপু ও হাইকোর্টের বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস।