হোম > আমার দেশ স্পেশাল

নিম্নমানের পাঠ্যবই বিতরণ ও অনিয়মের তদন্ত শুরু

ইফা মসজিদভিত্তিক গণশিক্ষা

রকীবুল হক

ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পে নিম্নমানের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই)। ওই প্রতিবেদনের অভিযোগ তদন্তে কাজ শুরু করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটি।

গতকাল রোববার কমিটির সদস্যরা বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে যথাসময়ে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্রমতে, গত ২৯ জুন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আব্দুল মোমিন স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ইমতিয়াজ হোসেনকে আহ্বায়ক করে গঠিত তিন সদস্যের কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (সংস্থা অধিশাখা) মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব হয়েছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব শেখ মুর্শিদুল ইসলাম।

ওই আদেশে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের ২১ জুন সংশ্লিষ্ট স্মারকপত্রের সুপারিশ মোতাবেক ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পে নিম্নমানের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ ও অনিয়ম-সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্তপূর্বক সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ কমিটি গঠন করা হলো। এ কমিটি তদন্তপূর্বক আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে মতামতসহ প্রতিবেদন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর দাখিল করবে।

এ কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব শেখ মুর্শিদুল ইসলাম গতকাল আমার দেশকে বলেন, নিম্নমানের বই সরবরাহের বিষয়ে গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে তদন্ত করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। আমরা আজ এ বিষয়ে মিটিংয়ে বসেছি। যথাসময়ে তদন্ত কাজ শেষ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা রিপোর্টে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রিন্টিং প্রেসে কাগজ ক্রয় ও বই ছাপানোর কাজে একজন পরিচালকের নেতৃত্বে ব্যাপক দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, বিগত অর্থবছরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ‘নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ প্রকল্পের বই ছাপানোর জন্য কাগজ ক্রয়ে দরপত্রের শর্ত লঙ্ঘন, নিম্নমানের কাগজ গ্রহণ, নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম কাগজ সরবরাহ এবং ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে প্রায় দুই কোটি ৮৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রেসকেন্দ্রিক ওই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, আগে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা, গবেষণা ও গণশিক্ষাসহ বিভিন্ন বিভাগ নিজ নিজ কাগজ ক্রয় করে প্রেসে সরবরাহ করত। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সব বিভাগের কাগজ ক্রয়ের দায়িত্ব প্রিন্টিং প্রেসের হাতে কেন্দ্রীভূত করা হলে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়।

এদিকে নিম্নমানের কাগজ ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বই ও খাতার মান নিয়ে অভিযোগ এসেছে। বিশেষ করে ড্রয়িং খাতা তৈরিতে নিম্নমানের শিট কাগজ ব্যবহার, অনুশীলন খাতায় অতিরিক্ত কাগজ অপচয় এবং বাইরে বিক্রির অভিযোগও তদন্তে এসেছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের চলমান তদন্তে এসব বিষয় আরো স্পষ্ট হবে বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অভিযোগ দাখিলের আট মাসেও শুরু হয়নি বিচার

যশোরে ১৭৭ লেভেল ক্রসিংয়ের ৯৯টিই অবৈধ, মৃত্যুফাঁদ

কওমি অঙ্গনে টার্গেট মামুনুল হক

হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পের হতদরিদ্র অবস্থা

চায়ের আমন্ত্রণের পর সদস্যদের পদত্যাগ

সংখ্যালঘুদের ধর্মপালনের অধিকারের বিপরীত চিত্র

সরকারবিরোধী বিক্ষোভে প্রকম্পিত বিভিন্ন দেশ

মেরিন ড্রাইভের দেড় শতাধিক হোটেল ও রিসোর্টের লাইসেন্স নেই একটিরও

সুউচ্চ প্রাচীরে বন্ধ হচ্ছে সাধারণের প্রবেশ

অবৈধ রিসোর্টে আগুন, কেড়ে নিল ১০ জীবন