হোম > আমার দেশ স্পেশাল

পাহাড় ঘিরে নিয়ন্ত্রণের লড়াই ভারতের

আলোচনায় শহীদ জিয়ার নিরাপত্তা কৌশল

জমির উদ্দিন, চট্টগ্রাম

রাঙামাটির সাজেকের গঙ্গারাম উজো বাজারে বৃহস্পতিবার অবরোধকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যৌথবাহিনী। ছবি: আমার দেশ

পাহাড়ি সড়কে আটকেপড়া প্রায় ৩,০০০ পর্যটককে নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলির মুখে পড়েছে সেনাবাহিনী। এ ঘটনার পর পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা, দুর্গম এলাকায় সেনা উপস্থিতি, সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা ও রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন আবার আলোচনায় এসেছে। একই সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে পাহাড়ে নেওয়া নিরাপত্তা ও উন্নয়ন কৌশল।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব আমার দেশকে জানান, পর্যটকদের উদ্ধারে গেলে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) সদস্যরা গুলি ছোড়েন। জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীও গুলি চালায়। গুলি বিনিময়ের মধ্যেই পর্যটকদের সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। ইউপিডিএফের বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

গোয়েন্দারা জানান, ইউপিডিএফকে নিয়ন্ত্রণ করছে ভারত। এদের সংখ্যা পাঁচ শতাধিক, সবাই ভারতে প্রশিক্ষিত। তারা পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়।

এর আগে বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা আশরাফী জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেন। প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে পর্যটনকেন্দ্র আবার খুলে দেওয়া হবে। বাঘাইহাট জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারিকুল ইমরান জানান, পরিস্থিতি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করা বিএনপির সাবেক নেতা একরামুল করিম মনে করেন, পাহাড়ে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক উপস্থিতি জোরদারে জিয়ার আমলে যে কৌশল নেওয়া হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে তা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। তার বক্তব্য, জিয়ার ছেলে তারেক রহমান এখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আছেন। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তার রয়েছে।

একরামুল সেনাক্যাম্প বাড়ানো, অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করার পক্ষে মত দেন। তার ভাষ্য, কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী অস্ত্রের জোরে নিজস্ব কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে রাষ্ট্রকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। কোথায় সেনাক্যাম্প দরকার, কোথায় সীমান্ত নজরদারি বাড়াতে হবে, কোন এলাকায় সশস্ত্র তৎপরতার ঝুঁকি বেশি—এসব বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সাজেকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি চলতে দেওয়া যায় না। তবে একই সঙ্গে সাধারণ পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করাও জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

জিয়াউর রহমানের আরেক সহযোদ্ধা ও বিবিসি বাংলার সাবেক আঞ্চলিক সংবাদদাতা জাহিদুর করিম কচি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত রাখা এবং অঞ্চলটির ওপর রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে জিয়ার সময়কার পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তার মতে, দুর্গম ও সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা উপস্থিতি কার্যকর রাখা না গেলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ কঠিন হতে পারে। অতীতের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে বর্তমানের উপযোগী পরিকল্পনা নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

কচির মতে, নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রম, যোগাযোগব্যবস্থা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. এম শাহিদুজ্জামান সামরিক সক্ষমতা, সীমান্ত সুরক্ষা ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, পাহাড় নিয়ে সরকারের এখনই ভাবা দরকার এবং সেখানে সেনা ক্যাম্প বাড়ানো প্রয়োজন।

শান্তিচুক্তির পর প্রত্যাহার ২০০ ক্যাম্প

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি সই হওয়ার পর অঞ্চলটি থেকে অস্থায়ী সেনাক্যাম্প প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়। চুক্তির ১৭ নম্বর ধারায় কিছু স্থায়ী সেনা স্থাপনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অবস্থান বাদে অস্থায়ী ক্যাম্প পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের বিধান আছে। আবার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা জরুরি প্রয়োজনে বেসামরিক প্রশাসনের অধীন নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের সুযোগও রাখা হয়েছে।

২০০৯ সালের ২৯ জুলাই শেখ হাসিনা সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে এক ব্রিগেড সেনাসদস্য এবং তিনটি পদাতিক ব্যাটালিয়নসহ ৩৫টি অস্থায়ী ক্যাম্প প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তির বরাতে তখনকার গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে শান্তিচুক্তির পর বিভিন্ন পর্যায়ে ২০০টি ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

একই বছরের ২০ আগস্ট তৎকালীন ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল শামীম চৌধুরী জানান, ১৯৯৮-২০০৮ সালের মধ্যে ২০০টি সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে। ক্যাম্প প্রত্যাহার চলমান প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজন হলে সেখানে আবার সেনা মোতায়েন করা যেতে পারে। ওই বছরের ৮ আগস্টের এক প্রতিবেদনে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি এলাকায় মগাইছড়ি ও ড্যাশবিলের দুটি ক্যাম্প প্রত্যাহারের খবরও প্রকাশিত হয়।

এক বছরে ১২০ নিহত, আলোচনায় ইউপিডিএফ

চলতি বছরের আগস্টে ঢাকায় ‘রিস্টোরিং পিস অ্যান্ড সভরেনটি ইন দ্য চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস’ শীর্ষক সেমিনারে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংঘাতের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। এক্স ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লেফটেন্যান্ট (অব) সাইফুল্লাহ খান সাইফ সেখানে জানান, গত এক বছরে ইউপিডিএফ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও সংঘাতে অন্তত ১২০ জন নিহত হয়েছেন। তার উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, এ সময়ে ৯৬টি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে এবং দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় ২১ হাজার গুলি বিনিময় হয়েছে। অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান বলেন, এ হিসাব পাহাড়ের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের ইঙ্গিত দেয়।

সাজেকের সাম্প্রতিক গুলিবর্ষণ ও অবরোধের পর আলোচনায় এসেছে ইউপিডিএফ। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে সংগঠনটির বিরুদ্ধে অপহরণ, চাঁদাবাজি, হত্যা ও সশস্ত্র তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনটি এসব অভিযোগের বড় অংশ অস্বীকার করে। তারা নিজেদের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলনরত রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচয় দেয়।

১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকার ও জেএসএসের সন্তু লারমার মধ্যে শান্তিচুক্তি সই হয়। এর বিরোধিতা করেই ইউপিডিএফের যাত্রা। সংগঠনটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ১৯৯৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রস্তুতি সম্মেলনের মাধ্যমে দলটি গঠিত হয়। সম্মেলনে প্রসীত বিকাশ খীসা আহ্বায়ক ও রবিশংকর চাকমা সদস্যসচিব হন। দলটি পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের মাধ্যমে জুম্ম জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের কথা বলে এবং চুক্তিকে অপূর্ণাঙ্গ মনে করে। চুক্তি-সমর্থক জেএসএসের সঙ্গে তাদের বিরোধ সেই থেকে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনীতির একটি বড় বিষয়।

অপহরণ ও চাঁদাবাজির

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, গত বছরের এপ্রিলে রাঙামাটির নানিয়ারচরে ডেনমার্কের উন্নয়ন সংস্থা ড্যানিডার তিন কর্মকর্তার অপহরণ থেকে শুরু করে বৈসাবি উৎসবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীর অপহরণ পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা প্রসীত খীসার ইউপিডিএফের কাজ।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন রাঙামাটির কাউখালীর কলমপতি ইউনিয়নে তিনজন অপহৃত হন। নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ইউপিডিএফের প্রসীত অংশ (মূল দল) তাদের অপহরণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে সেনাবাহিনীর তৎপরতায় তাদের উদ্ধার করা হয়। চলতি বছরের ২৪ জুলাই খাগড়াছড়ির দীঘিনালার বাবুছড়া ইউনিয়নে ইউপিডিএফের সশস্ত্র দল ৫২ বছর বয়সি এক ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়।

একই সময়ে আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীঘিনালার কৃপাপুর এলাকায় মধ্যরাতে চাঁদা আদায়ের সময় ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের এক সশস্ত্র সদস্যকে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, তার কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, ভারতীয় ও চীনা মুদ্রাসহ নগদ টাকা, রাষ্ট্রবিরোধী লিফলেট ও চাঁদার রসিদ বই পাওয়া গেছে।

গত বছরের ৭ মার্চ কাউখালীর হাজাছড়ি এলাকায় অভিযানের কথা জানায় সেনাবাহিনী। তাদের দাবি, সেনাসদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ইউপিডিএফ (মূল) সদস্যরা পালিয়ে যান। পরে একটি পিস্তল, ১৭ রাউন্ড গুলি, বাইনোকুলার, ওয়াকিটকি, হার্ডডিস্ক, ইউনিফর্ম ও চাঁদা আদায়ের রসিদ উদ্ধার করা হয়।

একই বছরের ৬ অক্টোবর ভোরে খাগড়াছড়ির পানছড়ির যুবনেশ্বর পাড়ায় অভিযান চলে। সেনাবাহিনীর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শীর্ষ স্থানীয় গ্রুপ কমান্ডার সুমেন চাকমা পালিয়ে যান। সেখান থেকে একটি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি, ওয়াকিটকি চার্জার, মোবাইল ফোন ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে খাগড়াছড়িতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ছড়ায়। এর পর আইএসপিআর দাবি করে, ২৮ সেপ্টেম্বর ইউপিডিএফের সশস্ত্র ক্যাডাররা বর্মাছড়ির বিভিন্ন পাড়া থেকে রামসু বাজারে এসেছিল। অক্টোবরের শেষে আর্য কল্যাণ বিহারে নাশকতার পরিকল্পনার কথাও তাদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

সেনাক্যাম্প স্থাপন নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্মাছড়ির সংশ্লিষ্ট জায়গা রাষ্ট্রের খাস বনভূমি। তাদের অভিযোগ, ইউপিডিএফ সেটিকে মন্দিরের জায়গা বলে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করছে। জায়গার মালিকানা ও চরিত্র নিয়ে ইউপিডিএফের ভিন্ন অবস্থান রয়েছে। আইএসপিআর ও গোয়েন্দা বিশ্লেষণের এসব দাবি স্বাধীন সূত্রে যাচাই হয়েছে, এমন তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভাষ্য, ইউপিডিএফ (মূল) সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শিক্ষা ব্যবস্থায় আধিপত্য কায়েমের চেষ্টা করছে এবং প্রাথমিক থেকে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ‘জাতীয়তাবিরোধী’ চিন্তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একই প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সংগঠনটি নিরাপত্তার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠলেও এ নিয়ে সরকারের মাথাব্যথা কম।

আ.লীগ নিয়ে ঠেলাঠেলি

প্যাথলজিক্যাল টেস্টের ফি নির্ধারণে নৈরাজ্য, পকেট ফাঁকা হচ্ছে রোগীর

জুলাই বিপ্লবে নিপীড়ক ৪৫ পুলিশ কর্মকর্তা বিভিন্ন দপ্তরে বহাল

রহস্যঘেরা মাদক আড্ডায় গ্রেপ্তার ওরা কারা

এমপিদের খুশি করতে বরাদ্দ বাড়ছে ৪০০০ কোটি টাকা

ভুল নীতি দুর্ঘটনা বাড়াচ্ছে, উপেক্ষিত সুপারিশ

সচিবালয়ে ডিজিটাল হাজিরা, তদারকিতে প্রধানমন্ত্রী

অরক্ষিত সড়কে দস্যুদের রাজত্ব

পিএমওর নির্দেশনার পরও গোঁজামিলে ভরা জবাব বিটিআরসির

দুর্গাপূজার ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী