হোম > আমার দেশ স্পেশাল > বিশেষ প্রতিবেদন

আইএমএফের সঙ্গে সমঝোতা হলো না

আবু আলী

আমার দেশ গ্রাফিক্স

সংস্কার ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে সরকারের সমঝোতা হয়নি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার জেরে আইএমএফের সঙ্গে আগের ঋণচুক্তি থেকে সরে এসেছে সরকার।

জানা গেছে, কঠোর কিছু শর্ত এবং রাজস্ব পরিকল্পনায় অনড় অবস্থানের কারণে সরকার সংস্থাটির সঙ্গে আগের ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি থেকে সরে নতুন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তবে সরকার উন্নয়ন সহযোগীদের পাশে রেখেই এগোতে চায়। এজন্য আইএমএফের সংশোধিত শর্তে নতুন করে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্যাকেজ নিয়ে দেনদরবার চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে গত রোববার বিশ্ব বিনিয়োগ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আইএমএফের কঠিন শর্ত মেনে কোনো ঋণ নেওয়া হবে না। বিদেশি সংস্থার শর্তযুক্ত ঋণের ওপর নির্ভর করে দেশ চালানোর প্রচলিত সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।

অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্য এমন এক সময় এলো, যখন আগের সাড়ে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্যাকেজের বদলে আইএমএফের সঙ্গে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে সরকারের আলোচনা চলছে। গত জুলাই মাসে আইএমএফের একটি মিশন এ বিষয়ে ঢাকায় আসে। মিশনটি ওয়াশিংটন ফিরে জানায়, সবশেষ ঋণ প্রস্তাবের অংশ হিসেবে সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন সংস্কার শর্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে; তবে চূড়ান্ত হয়নি।

জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সামষ্টিক অর্থনীতি বিভাগ নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে। এ বিষয়ে সামষ্টিক অর্থনীতি অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব মনজুরুল হক জানান, নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং আলোচনার মাধ্যমেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে শর্তাবলির ওপর।

জানা গেছে, গত ২১ মে অর্থমন্ত্রী আমির খসরুর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এবং আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্কের নেতৃত্বাধীন দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে ঋণ কর্মসূচি স্থগিতের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।

ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার আমলে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ আইএমএফের সঙ্গে ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এ কর্মসূচির আকার ৮০০ মিলিয়ন ডলার বাড়ানো হয়, যার ফলে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় সাড়ে পাঁচ বিলিয়ন ডলারে। ওই অর্থের মধ্যে আইএমএফ ইতোমধ্যে ৩.৬৪ বিলিয়ন ডলার ছাড় করেছে। তবে রাজস্ব আদায়, বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক খাত সংস্কারে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হওয়ায় পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তির প্রায় ১.৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড় স্থগিত করে আইএমএফ।

এরপর তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ফের ঋণের কিস্তি নিয়ে আলোচনা হয়। গত মার্চ মাসে আইএমএফ প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরুর সঙ্গে বৈঠক করে।

গত ১৬ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন জানান, প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে তিনি বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। নতুন সরকারের হাতে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বড় ধরনের সংস্কার কার্যক্রম শুরুর জন্য এটিই উপযুক্ত সময়।

শ্রীনিবাসন উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের রাজস্ব আদায়ের পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে এবং তা দেশের অর্থনৈতিক চাহিদা মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রার চেয়ে অনেক নিচে রয়েছে। রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ভালো নয়। আদায়ের হার কম এবং গত তিন বছরে তা আরো কমেছে। বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আদায়, আর্থিক খাতের পুনরুদ্ধার এবং বিনিময় হারের সংস্কারÑএসব ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ঋণের কিস্তি স্থগিত করে আইএমএফ।

অর্থনীতিবিদরা জানিয়েছেন, আইএমএফের সঙ্গে কর্মসূচিটি চূড়ান্ত করার সময় শর্ত ছিল, বাংলাদেশ করছাড় প্রত্যাহার ও ব্যাপক রাজস্ব সংস্কারের মাধ্যমে জিডিপির অনুপাতে রাজস্ব আহরণ বাড়াবে। কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত কমেছে।

অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, দেশের অভ্যন্তরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে আগের চুক্তির কিছু কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়ে। সরকার সংস্কার থেকে পুরোপুরি না পিছিয়ে দেশের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বাস্তবসম্মত ও সুশৃঙ্খল সংস্কার এজেন্ডা বাস্তবায়নে নজর দিয়েছিল।

এই প্রেক্ষাপটে নবনির্বাচিত সরকারের অধীনে আইএমএফের একটি সম্পূর্ণ নতুন ঋণ কর্মসূচি চালুর বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আইএমএফের কঠোর কিছু শর্তের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলা অচলাবস্থার জেরেই মূলত এ চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আইএমএফের পক্ষ থেকে সব ক্ষেত্রে অভিন্ন ১৫ শতাংশ ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) আরোপ, করছাড় বাতিল করা এবং বিদ্যুৎ ও সারে দেওয়া সর্বজনীন সরকারি ভর্তুকির পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট নগদ অর্থ স্থানান্তরের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

তবে সরকারের মতে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি রাজনৈতিক সরকার হিসেবে জনস্বার্থ ও নির্বাচনি ইশতেহারের পরিপন্থী কোনো দাতা সংস্থার শর্ত মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। এ অবস্থানের কারণেই আগের ঋণচুক্তি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আইএমএফ কর্মসূচি চালু থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি আন্তর্জাতিক আর্থিক আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করে এবং এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক থেকে প্রতিবছর অতিরিক্ত তিন থেকে চার বিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা পাওয়ার পথ সহজ হয়।

অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, অর্থনীতির চাপ সামাল দিতে উন্নয়ন সহযোগীদের ঋণের বড় প্যাকেজের দিকে ফের নজর দিয়েছে সরকার। এজন্য আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে নতুন অর্থায়ন নিশ্চিত করতে জোর তৎপরতা শুরু করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে আইএমএফের কাছ থেকে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের নতুন ঋণ পেতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

অর্থ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, নতুন বিকল্প কাঠামোর ঋণের পরিমাণ, সময়সীমা ও শর্ত চূড়ান্ত করতে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ১৫ দিনের সফরে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসছে। এ সময় প্রতিনিধিদলটি অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ), বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠক করবে। এসব সিরিজ বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।

অন্যদিকে আগামী ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠেয় আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভা সামনে রেখে আইএমএফের কাছে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের নতুন ঋণের বিষয়টিও তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের কাছে বাজেট সহায়তাসহ জ্বালানি, খাদ্য, ব্যাংকিং ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে অর্থায়ন চাওয়া হবে। ঋণের দরজা খুলতে এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। সামনে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম সমন্বয়, রাজস্ব আদায় বাড়ানো ও ভর্তুকি কমানোর মতো সিদ্ধান্তও আলোচনায় আসতে পারে। ব্যাংককের বৈঠক শেষে ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন ঋণচুক্তি চূড়ান্ত করাই এখন সরকারের বড় লক্ষ্য।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন আমার দেশকে বলেন, সংস্কার ছাড়া আইএমএফ তাদের ঋণ কর্মসূচি হাতে নেয় না। আগের কর্মসূচির আওতায় ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণ, করছাড় কমানো, এনবিআর সংস্কারসহ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নতুন সরকার কিছু ক্ষেত্রে সেখান থেকে পিছিয়ে গেছে। তিনি বলেন, সরকারের কাজ দেখে মনে হচ্ছে না সংস্কারের তাগিদ আছে; তবে বাজেটে ঘোষণা দেওয়া কিছু কর্মসূচি তারা বাস্তবায়ন করেছে। এছাড়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে দাঁড় করানোর উদ্যোগও নিয়েছে।

তিনি বলেন, কর ব্যবস্থায়ও আগের সংস্কারের ধারাবাহিকতা নেই। বিভিন্ন করহার কমিয়ে অভিন্ন হারের দিকে যাওয়ার উদ্যোগ থাকলেও ভ্যাটের একীভূত হার বাস্তবায়নে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। খেলাপি ঋণ হিসেবে শ্রেণিকরণের সময়সীমা ৯০ দিন থেকে আবার ১৮০ দিনে নেওয়ার আলোচনা নিয়েও আইএমএফ প্রশ্ন করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘নতুন সরকার আসার পর আইএমএফের সঙ্গে নতুনভাবে আলোচনা বা নেগোসিয়েশন শুরু হওয়াটাই স্বাভাবিক—এটিই এখন নতুন বাস্তবতা। তবে এর মানে এ নয় যে, আগের শর্ত বা প্রতিশ্রুতিগুলো পুরোপুরি বাদ হয়ে গেছে। নতুন সরকারের একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক ম্যান্ডেট রয়েছে। সেই ম্যান্ডেট এবং নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ অন্য বহুপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। নির্বাচনের আগেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। এখন সেই জনম্যান্ডেটকে সামনে রেখেই পারস্পরিকভাবে লাভজনক (মিউচুয়ালি বেনিফিশিয়াল) উপায়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো আমাদের নিজস্ব ম্যান্ডেটকে সেখানে প্রতিফলিত করা। অতীতে নানা সমস্যা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে। যেমন ব্যাংক খাতের অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা আগে একপ্রকার গোপন করা হয়েছিল। খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১১ শতাংশ দেখানো হলেও প্রকৃতপক্ষে তা ছিল ৩৫.৭২ শতাংশ। আমরা এ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চাই।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘ইতোমধ্যে সম্মিলিত ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে একটি শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে, গ্রাহকদের টাকাপ্রাপ্তির অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে এবং মানুষের মনে আস্থা তৈরি হয়েছে। এছাড়া হেয়ারকাট বা এ ধরনের অনভিপ্রেত পদক্ষেপ ছাড়াই বিভিন্ন উপায়ে ব্যাংকগুলোর রিক্যাপিটালাইজেশন বা পুনর্গঠনের কাজ চলছে। ব্যাংক খাতের এই শৃঙ্খলা আমরা নিজেরা স্বপ্রণোদিত হয়েই চাইছি; কারণ বিনিয়োগ বাড়াতে হলে শক্তিশালী ব্যাংক খাত জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যেসব সমস্যা মোকাবিলা করছি, তার সবই মূলত উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত। এগুলো আমরা নিজেরাই সমাধান করতে চাই, যাতে এর পুরো মালিকানা আমাদের নিজেদের হাতে থাকে—এটি ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া কোনো শর্ত নয়। এডিবির সঙ্গে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের যে সহায়তার কথা হয়েছে, তা দিয়ে গ্রোথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করা হবে। রাজস্ব বৃদ্ধির বিষয়েও আমরা নিজেদের গড়া টাস্কফোর্স ও স্ট্র্যাটেজির মাধ্যমে এগোচ্ছি। আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারেও বলা আছে, ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে রাজস্ব ১০ শতাংশে উন্নীত করা হবে।’

উপদেষ্টা তিতুমীর বলেন, ‘অতীতে আন্তর্জাতিক সংস্থার শর্তগুলো আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হতো। কিন্তু বর্তমান সরকারের সময়ে এসে একটি বড় প্যারাডাইম শিফট ঘটেছে। প্রথমবারের মতো জনগণের অগ্রাধিকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর অগ্রাধিকার এক বিন্দুতে মিলিত হয়েছে। অর্থাৎ, রাজস্ব বাড়ানো, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা আনা কিংবা কর্মসংস্থান ও শিল্পায়ন—এগুলো শুধু তাদের শর্ত নয়; বরং আমাদের দেশের মানুষেরই দাবি। মানুষের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার লক্ষ্য যখন এক হয়েছে, তখন এটি একটি সম্পূর্ণ নতুন ও ইতিবাচক পর্যায়ে রূপ নিয়েছে।’

শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রী ভোগান্তি চরমে

নিয়ন্ত্রণহীন অনলাইন জুয়া, দেশে ৮ হাব

সওজে লোভনীয় পদে আওয়ামী প্রকৌশলীরা

যাত্রী বেড়ে দ্বিগুণ, তবু দিনে ভর্তুকি ৬০ হাজার টাকা

৩১ বছরেও বাসযোগ্য হয়নি পূর্বাচল প্রকল্প

প্রকল্প শুরুর আগেই ব্যয় বাড়ছে ৬৭২ কোটি টাকা

যাদুকাটার বালু-পাথর লুটে একাট্টা বিএনপি-আ.লীগ

সিলিন্ডার বাজারে অরাজকতা, বাড়ছে ৫০০-৭০০ টাকা

শৃঙ্খলা ফেরাতে হার্ডলাইনে প্রধানমন্ত্রী

সারা দেশে ৪৫৩ কিশোর গ্যাং, দিনদিন বাড়াচ্ছে শক্তি