হোম > আমার দেশ স্পেশাল > বিশেষ প্রতিবেদন

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কবিতা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল দ্রুততম সময়ে চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। দুই সরকার পেরিয়ে আরেকটি নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের মুখ দেখছে থার্ড টার্মিনাল। সাত বছর ধরে অবকাঠামোটি গড়ে তোলা হলেও ব্যবস্থাপনার ত্রুটিতে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত অপারেটর নিয়োগ করতে পারলে চালু করা সম্ভব হবে টার্মিনালটি।

অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা কিংবা আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হলেই এ সমস্যার সমাধান হবে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের ৯৯ ভাগ কাজ শেষ হলেও জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পরিচালনা-সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মতবিরোধের কারণে টার্মিনালটি যাত্রীসেবার জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

পরিচালনা-সংক্রান্ত মতবিরোধ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থার্ড টার্মিনাল চালুর কথা থাকলেও বিভিন্ন কারণে তা সম্ভব হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা থার্ড টার্মিনাল চালুর অনেক চেষ্টা করেছি। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চালু করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণে বিভিন্ন সময়ে অনিয়ম-দুর্নীতি ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ প্রকল্প থেকে কমপক্ষে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে—এমন অভিযোগ খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ঠিকাদারদের পাওনা ১৬৫০ কোটি টাকা

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণকাজ নিয়ে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ও বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়ামের (এডিসি) মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি করে রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক সালিশি বোর্ড। বিচারে বেবিচক হেরে যাওয়ায় প্রায় এক হাজার ৬৫০ কোটি টাকা সমপরিমাণ অর্থ এডিসিকে পরিশোধ করতে হবে। বিবেচক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় এ রায় দেয় আন্তর্জাতিক সালিশি বোর্ড। দীর্ঘদিন ধরে দুপক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তি করতে মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির তিন বিচারকের সমন্বয়ে এ বোর্ড গঠন করা হয়। রায়ের আগে দুপক্ষের বক্তব্য শোনে সালিশি বোর্ড।

রায়ে বলা হয়, কাজের ব্যাপ্তি বৈধভাবে বাড়ানো হয়নি এবং কাজের ডিএনপি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। ফলে চুক্তি অনুযায়ী এখনো পারফরম্যান্স সার্টিফিকেট দেওয়ার সময় হয়নি। রায়ে এডিসির পারফরম্যান্স সিকিউরিটি ফেরত দেওয়ার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

বেবিচকের কর্মকর্তারা জানান, রায়ের বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নকশায় ত্রুটি, নেই মোবাইল নেটওয়ার্ক

সূত্র জানায়, থার্ড টার্মিনালের ভেতরে নেই কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক কভারেজ। নকশার ক্রটির কারণে এমনটি ঘটেছে বলে অভিযোগ। তাই জরুরি ভিত্তিতে নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপন নিয়ে তোড়জোড় চলছে। এখন সিলিংয়ের ভেতর দিয়ে ক্যাবল নিতে হবে। আগের পরিকল্পনায় এটা না থাকায় এখন খেসারত দিতে হচ্ছে বেবিচককে। এতে কোটি টাকা গচ্চার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। নকশার ত্রুটি সংশোধনের কাজ শুরুর পর আরো ছয়-সাত মাস সময় লাগবে কাজ শেষ হতে।

বেবিচক সূত্র জানায়, মূল নকশায় মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত না থাকায় এখন সিলিং খুলে নতুন করে নেটওয়ার্ক যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে হবে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় বেবিচক বোর্ড নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ৩০৯তম বোর্ডসভায় সভাপতি ও সদস্যরা জানান, টার্মিনাল নির্মাণের ৯৯টি ধাপ শেষ হলেও টার্মিনালের অভ্যন্তরে নির্ভরযোগ্য মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা স্থাপন শুরু করা যায়নি। নকশাগত ত্রুটির কারণে এখন জরুরি ভিত্তিতে সংশোধন এনে সিলিংয়ের ভেতরে নতুন অবকাঠামো স্থাপন জরুরি হয়ে পড়েছে।

সভায় সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিদর্শন) বলেন, মূল নকশায় মোবাইল নেটওয়ার্কের ‘ইনবিল্ডিং সলিউশন’ অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ফলে টার্মিনাল চালুর জন্য প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক কভারেজ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। যাত্রীসেবা উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং অপারেশনের স্বার্থে দ্রুত মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন জরুরি। এ কারণে বিটিআরসি, মোবাইল অপারেটর, টাওয়ার কোম্পানি এবং ইন্টিগ্রেটর প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়। পরে মোবাইল অপারেটরগুলোকে চিঠিও পাঠানো হয়।

তবে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক শুধু জায়গা ভাড়া দিতে রাজি হলেও কোনো রাজস্ব শেয়ার বা সমন্বিত প্রস্তাব দেয়নি। একমাত্র কার্যকর প্রস্তাব দিয়েছে টেলিটক। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা সেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন করে প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে। অন্য অপারেটরদেরও যুক্ত করবে এবং প্রাপ্ত আয়ের একটি অংশ নিয়মিত বেবিচককে প্রদান করবে।

বৈঠকে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি করা হবে। প্রতি দুই বছর পরপর চুক্তি পর্যালোচনা করে সন্তোষজনক বিবেচিত হলে তা নবায়ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। নবায়নের ক্ষেত্রে বার্ষিক ভাড়া আড়াই শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে।

জাপানি কনসোর্টিয়ামের শর্ত

সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সফট ওপেনিং হওয়ার পর ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ এটিকে পুরোদমে যাত্রীসেবার জন্য উন্মুক্ত করার কথা ছিল। কিন্তু অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নানা জটিলতার কারণে সে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। টার্মিনালটি পরিচালনার জন্য জাপানের চারটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত একটি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। তবে কনসোর্টিয়াম বেশকিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে। উচ্চহারে ল্যান্ডিং চার্জ, যাত্রী সুরক্ষা ফি ও বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি থেকে আয়ের অংশীদারত্ব এবং বাণিজ্যিক স্থানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বেবিচকের অস্বস্তি তৈরি হয়। তাদের দেওয়া শর্তগুলো অবাস্তব মনে হওয়ায় চুক্তি স্বাক্ষর প্রক্রিয়া এখনো আটকে আছে।

বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আমার দেশকে বলেন, নির্মাণকাজ শেষে কোরিয়ান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং বেবিচকের কাছে অতিরিক্ত কাজের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করেছে। এ পাওনা পরিশোধের বিষয়টি নিয়েও জটিলতা চলছে, যা টার্মিনাল হস্তান্তরেও কিছুটা প্রভাব ফেলছে। ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং সিস্টেম, ইমিগ্রেশন, বোর্ডিং ব্রিজ, ভিজিডিএস আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করছে কি না, তা নিশ্চিত করতে আরো নিবিড় এবং ব্যাপক পরিসরে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, এসব প্রযুক্তিগত, লজিস্টিক এবং চুক্তিসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের জন্যই তাদের তিন-চার মাসের মতো অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।

বেবিচকের সঙ্গে ওই চার প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা চুক্তি হওয়ার কথা। কিন্তু প্রাপ্ত তথ্যমতে, থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা চুক্তির ক্ষেত্রে বেবিচককে একগুচ্ছ অবাস্তব শর্ত জুড়ে দিয়েছে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো। তদুপরি টার্মিনাল পরিচালনার জন্য বেবিচককে অগ্রিম ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার কথা থাকলেও তা দিতে রাজি হচ্ছে না। এ নিয়ে বেবিচক কর্মকর্তারা দফায় দফায় বৈঠক করেন। নিয়ম অনুযায়ী থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় বেবিচক টেন্ডার আহ্বান করলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে জাপানের ওই চার প্রতিষ্ঠান।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শাহজালালে হওয়া বৈঠকে থার্ড টার্মিনালের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তির অচলাবস্থা নিরসন করার ওপর জোর দেওয়া হয়। যদি বিদেশি অপারেটর পাওয়া না যায়, সে ক্ষেত্রে বেবিচকের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় টার্মিনালটি পরিচালনা করার সম্ভাব্যতা যাচাই করা এবং সে অনুযায়ী জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক আমার দেশকে বলেন, এখানে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক বিষয় জড়িত রয়েছে, যেগুলো যথাযথভাবে পর্যালোচনার জন্য সময় দরকার। আমরা প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করছি। তবে যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে দেশের স্বার্থ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে দেওয়ার কথা রয়েছে। থার্ড টার্মিনালের অভ্যন্তরে সব ধরনের দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, লাউঞ্জ, রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ভাড়া দেওয়ার দায়িত্বে থাকবে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো।

থার্ড টার্মিনালকে সামনে রেখে ১২টি নতুন এয়ারলাইনস ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আবেদন করেছে। খুবই সুন্দরভাবে সাজানো হচ্ছে পুরো টার্মিনাল। টার্মিনালের জন্য বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে পাঁচ হাজার ২৫৮ কোটি তিন লাখ ৮৮ হাজার টাকা। অবশিষ্ট ১৬ হাজার ১৪১ কোটি দুই লাখ ৪৫ হাজার টাকা ঋণ হিসেবে দিচ্ছে জাইকা। থার্ড টার্মিনাল চালুর পর বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী ও কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা দ্বিগুণ হবে। এতে বার্ষিক যাত্রী হ্যান্ডলিং ক্ষমতা হবে ২৪ মিলিয়ন (পুরোনো টার্মিনালসহ), যা এখন আট মিলিয়ন এবং বিমানবন্দরটি প্রতি বছর পাঁচ লাখ টন কার্গো হ্যান্ডেল করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল দ্রুততম সময়ে চালুর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনে আবারও জাপানের কসসোর্টিয়ামের সঙ্গে বসার নিদের্শ দিয়েছেন। এ বিষয়ে তাদের মতামত এবং বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। গতকাল রোববার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে এক বৈঠক শেষে বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক হয়।

বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম জানান, প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যাতে সামনে থার্ড টার্মিনাল চালু করা যায়, সে ব্যাপারে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল কবে নাগাদ চালু হবেÑজানতে চাইলে বিমানমন্ত্রী বলেন, কবে নাগাদ চালু হবে এটা এ মুহূর্তে বলা যাবে না। এখন আলাপ-আলোচনা হবে, তদন্ত হবে, কীভাবে আমরা তাড়াতাড়ি করতে পারি, সেটা নিয়ে কাজ চলছে।

থার্ড টার্মিনাল নিয়ে বেশকিছু সুপারিশ ছিল, কিছু অংশ ভাঙতে হবে, নেটওয়ার্ক সমস্যা ছিল, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কবে নাগাদ হস্তান্তর করবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কী নির্দেশনা দিলেনÑএমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন চালু হচ্ছে না, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ছিল এতদিন, তারা তো সেটা করতে পারতেন। এখন প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন, যাতে সামনে চালু করা যায়। সে ব্যাপারে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন।

গ্রাহক টানতে পারছে না স্টারলিংক

পারস্পরিক সহযোগিতায় দেশ পরিচালনা করুন

সিটি করপোরেশন আইনে সংশোধনী আনবে ইসি

রাজনীতিতে ফিরতে মরিয়া আ. লীগ তৎপর ভারতীয় লবি

ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ শুরু বিএনপি সরকারের

আদানির চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

সফলতা-ব্যর্থতায় অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

সম্প্রীতি ও সহনশীলতার নতুন সংস্কৃতি

নতুন মন্ত্রী ও এমপিদের শপথ আজ

‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের প্রকৃত চিত্র