জামায়াত প্রার্থী সংগঠনের সিদ্ধান্তে আনুগত্যশীল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন '১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য’ ২৫৩টি আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ৩০টি আসনে, যার একটি ঢাকা-২০ (ধামরাই)।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের সমমনা জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)কে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ধামরাই আসনে জোটের তিনজন প্রার্থী রয়েছেন৷ তাদের মধ্যে ভোটের মাঠে জনপ্রিয় জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা কাজী আব্দুর রউফ সংগঠনের সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও জোটের অপর প্রার্থী খেলাফত মজলিসের দেয়াল ঘড়ির প্রার্থী মুফতি আশরাফ আলী এখনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি।
স্থানীয়দের মতে, ধামরাই আসনে বিএনপির প্রার্থী তমিজ উদ্দিনের শক্ত অবস্থান থাকলেও জামায়াত ইসলামীর মাওলানা কাজী আব্দুর রউফ ভোটের মাঠে তৎপর ছিলেন। তিনি ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৫ হাজার ভোট পেয়েছিলেন৷
স্থানীয় ভোটারদের মতে, এনসিপি নতুন দল, প্রার্থীও ভোটের মাঠে নতুন। ভোটারদের কাছে তুলনামূলক কম পরিচিতি এবং সামগ্রিকভাবে প্রচারে পিছিয়ে থাকায় এনসিপির চেয়ে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা মাঠে এগিয়ে রয়েছেন।
জোটের প্রার্থীর বিষয়ে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা কাজী আব্দুর রউফ বলেন, ‘প্রার্থীর বিষয়ে পত্রিকার মাধ্যমে দেখেছি, এখনো দলীয়ভাবে সাংগঠনিক কোনো নির্দেশনা পাইনি। যেহেতু ২০ তারিখে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ, সংগঠনের নির্দেশনার অপেক্ষা করব। সংগঠনের প্রতি আমরা আনুগত্যশীল। সংগঠনের নির্দেশনা অনুযায়ী এগোনোর চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।’
ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ জোটের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের দল এনসিপি ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে নির্বাচন করছে। তাই আমি নির্দিষ্ট দলের প্রার্থী না, আমি জোটের একজন প্রার্থী। আমরা নিজেরাও জোটের একটা অংশ। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করব। ধামরাইয়ে জোটের সব নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারব বলে আশা করছি।’
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ছাড়াও এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন, জাতীয় পার্টির আহছান, জাসদের আরজু মিয়া নির্বাচনে লড়বেন৷