বরিশালে অটোরিকশার চাপায় স্কুলছাত্রী চৈতির মৃত্যুর প্রতিবাদে দোষী অটোচালককে গ্রেপ্তারপূর্বব দ্রুত বিচারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে বিএম কলেজ সড়কের শের-ই-বাংলা বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে রাখা হয়। এতে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেন।
এসময় তিনি দোষী অটোচালককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে স্কুলের সামনে হাজির করা হবে। পাশাপাশি নগরীর অবৈধ অটো চলাচল বন্ধ করার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরে যান। এসময় প্রশাসক শিরীন নিজে ক্লাসে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ সময় সিটি কর্পোরেশনের নব নিযুক্ত প্রশাসক শিরীন বলেন, চিকিৎসা অবহেলার কারণে চৈতির মৃত্যুর অভিযোগের বিসয়টি খতিয়ে দেখা হবে। চিকিৎসা সেবায় কোন গাফিলতি হলে দোষীদের ছাড় দেওয়া হবে না। যারা অবৈধ যানবাহন চলাচলের পক্ষে কথা বলেন, তাদের কাছে প্রশ্ন, স্কুল ছাত্রী চৈতিকে ফিরিয়ে দিতে পারবে কি তারা।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার স্কুল ছুটির পর চৈতি স্কুলের সামনের সড়ক পার হওয়ার সময় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। প্রথমে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃধবার গভীর রাতেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, নগরীর ওই সড়কে পূর্বেও একই ধরনের প্রাণহানি ঘটেছে। কিন্তু দোষীদের বিচার না হওয়ায় পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন উল ইসলাম জানান, চৈতির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালককে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।