হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

লক্ষ্মীপুরের ২৯ প্রার্থীর ২১ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত

জেলা প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর

ছবি: আমার দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনের ২১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পরিপত্র অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোটও তারা কেউ পাননি।

শনিবার সংসদ নির্বাচনের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের স্বাক্ষরিত ভোটের ফলাফলপত্র যাচাই করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জামানত বাজেয়াপ্তদের মধ্যে আলোচিত প্রার্থীরা হলেন— লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের তারা প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব, হাতপাখার প্রার্থী মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনের লাঙলের প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মাহমুদুর রহমান মাহমুদ, হাতপাখার প্রার্থী জেলা ইসলামী আন্দোলনের সহসভাপতি জাকির হোসেন পাটওয়ারী।

রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফলপত্র যাচাই করে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম ৮৬ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১দলীয় জোটের শাপলাকলির প্রার্থী এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম ৫৯ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়েছেন।

এছাড়া জাতীয় পার্টির মাহমুদুর রহমান মাহমুদ ৪১৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের জাকির হোসেন পাটওয়ারী ১১ হাজার ১৫৬ ভোট, এনডিএমের আলমগীর হোসাইন ১০৬ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের কাউছার আলাম ১১৫ ভোট, বাসদের বিল্লাল হোসেন ২০৩ ভোট পেয়েছেন।

আসনটিতে ২ লাখ ৮১ হাজার ৩০২ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৬২ জন। এখানে ৫৭.৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এতে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদেরকে সর্বনিম্ন প্রায় ২০ হাজার ৩৭০ ভোট পেতে হতো।

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক) আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়া ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৯৮ ভোট পেয়েছেন।

এছাড়া আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার ৪২৪ ভোট, নাগরিক ঐক্যের রেজাউল করিম ২৫৩ ভোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির ইব্রাহিম মিয়া ১ হাজার ৭৮০ ভোট, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ফরহাদ মিয়া ২৮৮ ভোট ও ইসলামী আন্দোলনের হেলাল উদ্দিন ৬ হাজার ৭৭৪ ভোট পেয়েছেন।

আসনটির ৪ লাখ ৯৪ হাজার ২৬ ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৭০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এখানে ৬০.১৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। এতে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদের সর্বনিম্ন প্রায় ৩৭ হাজার ১৫৮ ভোট পেতে হতো।

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম ১ লাখ ২২ হাজার ৮০২ ভোট পেয়েছেন।

এছাড়া আসনটিতে জাতীয় পার্টির এ কে এম মহিউদ্দিন ১ হাজার ৩৩৯ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মো. ইব্রাহিম ৫ হাজার ৫১ ভোট, এলডিপির মো. শামছুদ্দিন ৪৮৮ ভোট ও এনপিপির সেলিম মাহমুদ ২৮৯ ভোট পেয়েছেন।

আসনটির ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৭২ হাজার ৪৩০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এখানে ৬১.২৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। এতে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদেরকে সর্বনিম্ন প্রায় ৩৪ হাজার ৫৩ ভোট পেতে হতো।

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান ১ লাখ ১৫ হাজার ১৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এ আর হাফিজ উল্যাহ ৭৩ হাজার ৭৫৬ ভোট পেয়েছে।

এছাড়া আসনটিতে স্বতন্ত্র আ ন ম মঞ্জুর মোর্শেদ ৩৯৬ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের খালেদ সাইফুল্লাহ ২১ হাজার ১০৩ ভোট, জেএসডির তানিয়া রব ২২ হাজার ৪০ ভোট, স্বতন্ত্র নুরুল হুদা চৌধুরী ৪২২ ভোট, বাসদের মিলন কৃষ্ণ মন্ডল ৪৪০ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের রেদোয়ান উল্লাহ ২৫৯ ভোট ও স্বতন্ত্র শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল ৪১১ ভোট পেয়েছেন।

আসনটির ৪ লাখ ১৮ হাজার ১৫৮ ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৬৭ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এখানে ৫৭.৬৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এতে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদেরকে সর্বনিম্ন প্রায় ৩০ হাজার ১২০ ভোট পেতে হতো।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্রে বলা আছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

পাঁচ ছাত্রদল কর্মীকে পুলিশে দিলেন বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী

কক্সবাজার-৪: পঞ্চমবারের মতো বিজয়ী শাহজাহান চৌধুরী

একই গ্রামের তিনজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য

২৬ বছর পর জামায়াত প্রার্থীকে হারিয়ে আসন পুনরুদ্ধার করল বিএনপি

জামায়াত প্রার্থীদের বাড়ি গিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন বিএনপির বিজয়ী দুই প্রার্থী

চট্টগ্রামে শহীদ ওয়াসিম পার্কে বসন্ত উৎসবে নানা আয়োজন

ফেনীর সেই জুলাইযোদ্ধার ওপর বিএনপি নামধারীদের হামলা

চট্টগ্রাম-৫ আসনে কারচুপির মাধ্যমে আমাকে হারানো হয়েছে

নবনির্বাচিত এমপি সালাহউদ্দিন আহমদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

শত্রুর সাথেও যেন বেইনসাফি না হয় এমন প্রচেষ্টা থাকবে: হাসনাত আবদুল্লাহ