সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার এক নম্বর আসামিকে ফেনী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে কমিটির আট সদস্যের ছয়জনই পদত্যাগ করেছেন।
শনিবার রাতে ঘোষিত কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল বাদল ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি ছয় নেতাই পৃথকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
তারা হলেন— সিনিয়র সহসভাপতি গাজী আবদুল কাদের নয়ন, সহসভাপতি মো. সবুজ, যুগ্ম সম্পাদক সাধারণ মো. মিল্লাত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহিদ, প্রচার সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন রুবেল, দপ্তর সম্পাদক ডালিম মজুমদার।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ৩০ এপ্রিল ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আট সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
জানা গেছে, ২০১৭ সালে ফেনীর মহিপাল এলাকায় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় মামলার ২৮ জন আসামির তালিকায় সুজনের নাম রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহনের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিলনের দায়ের করা এই মামলায় সুজন ২৫ নম্বর আসামি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এনামুল হক সুজন দাবি করেন, তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য এই মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানো হয়েছে।
পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু বলেন, সুজন যুবদলের একজন পরীক্ষিত কর্মী। তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। জেলা বিএনপি ও যুবদলের শীর্ষ নেতারা অবগত রয়েছেন।
পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারী বলেন, ‘আমরা তার মামলার বিষয়টি অবগত ছিলাম না। এ নিয়ে কমিটির বাকি সদস্যরা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এ বিষয়ে আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি। বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে পরবর্তী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেডএম