হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

বান্দরবানে প্রার্থী, কিন্তু ভোটার অন্য জেলায়

জেলা প্রতিনিধি, বান্দরবান

ছবি: আমার দেশ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবান ৩০০নং আসনে লড়াই করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। তবে এই লড়াইয়ে অংশ নেওয়া দুই প্রার্থীর জন্য রয়েছে এক অদ্ভুত বাস্তবতা। তারা দুজনেই এই আসনের ভোটার নন। ফলে ব্যালট পেপারে নিজেদের প্রতীক থাকলেও, সেই প্রতীকে নিজের ভোটটি দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না তারা। নির্বাচন কমিশনের তথ্য ও প্রার্থীর ব্যক্তিগত হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই দুই প্রার্থীর স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা বান্দরবানের বাইরে।

আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দীন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তবে তার স্থায়ী নিবাস কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের সাহাবের বাড়ি বলে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তাঁর গ্রামের একাধিক জনপ্রতিনিধি।

অন্যদিকে, আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ জাতীয় পার্টির প্রার্থী চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর বাসিন্দা। তার ভোটকেন্দ্র হলো চট্টগ্রামের পাহাড়তলী মালেকা দিঘীর পূর্বপাড় নেছারিয়া কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা। তার ভোটার সিরিয়াল নং-১৫০৭৯৯৬৫৯০০৭ এবং ভোটার নং-১৬৪।

বাংলাদেশের নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি দেশের যেকোনো সংসদীয় আসনের ভোটার হয়ে অন্য যেকোনো আসনে প্রার্থী হতে পারেন। অর্থাৎ, প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নিজ এলাকার ভোটার হওয়া বাধ্যতামূলক‚লক নয়। তবে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বেশ কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নিজের প্রার্থীকে ভোট দিতে না পারাটা একটু অদ্ভুত মনে হলেও, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এটি বৈধ। তবে ভোটারদের মন জয় করতে এই ‘বহিরাগত’ তকমা ঘুচিয়ে তারা কতটা এগোতে পারবেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আমরা যে কোনো শংকামুক্ত থাকতে চাই: হাসনাত আবদুল্লাহ

কুমিল্লায় তরুণ ও নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি

সমুদ্র শহরে ভোটগ্রহণ শুরু

ফেনীতে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ শুরু

রাতে জামায়াত নেতার বাড়িতে খেতে গিয়ে নির্বাচনি দুই কর্মকর্তা আটক

চট্টগ্রামে ভোট দিলেন ফারুক-ই-আজম

চট্টগ্রামে ভোট শুরুর আগেই কেন্দ্রের সামনে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন

চট্টগ্রামে উৎসবমুখর নির্বাচনে সর্বাত্মক প্রস্তুতি প্রশাসনের

পাহাড়ে পরিবর্তনের হাওয়া, জয়ের প্রত্যাশায় সাচিং প্রু জেরী

রাত পোহালেই ভোট: কক্সবাজার-১ আসনের নিরাপত্তায় কঠোর প্রশাসন