হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

কুতুবদিয়ায় জমি রেজিস্ট্রি বন্ধ থাকায় রাজস্ব ক্ষ‌তি ৩০ লাখ টাকা

উপজেলা প্রতিনিধি, কুতুব‌দিয়া (কক্সবাজার)

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় জমির উপর অস্বাভাবিক উৎসে কর চাপিয়ে দেয়ায় সাফ কবলা রেজিস্ট্রি বন্ধ তিন সপ্তাহ ধরে। ফলে জমি বিক্রেতা-ক্রেতা পড়েছে সীমাহীন ভোগান্তির মাঝে। গত ২০২০ সালের গেজেট প্রকাশিত হয় প্রতি শতক জমিতে ২৫ হাজার টাকা উৎসে কর দিতে হবে।

তবে দীর্ঘ ৫ বছর এটি কার্যকর হয়নি। হঠাৎ চলতি পহেলা জুলাই থেকে কার্যকরের নির্দেশনা দেয়া হয় ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে। দ্বীপের অধিকাংশ এলাকার জমি প্রতি শতক ১৫-২০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এসব জমিতেও প্রতি শতকে ২৫ হাজার টাকা সরকারকে উৎসে কর দিতে হবে।

এই আদেশের ফলে উপজেলার সর্ব দক্ষিণে রাজাখালী মৌজার খুদিয়ারটেক এলাকা সাগরে বিলীন হয়ে গেছে ৩ দশক আগে। যে কারণে গত বিশ বছরেও ওই মৌজায় কোন একটি কবলাও রেজিস্ট্রি হয়নি। সেখানের জন্যও একই নিয়ম বাদ যায়নি । একই ভাবে উত্তর জোনে চরধুরুং মৌজার অর্ধেক জায়গা এখন সাগরে বেড়িবাধেঁর বাইরে। এগুলোও বাদ যায়নি উৎসে করের কবল থেকে।

দক্ষিণ ধুরুং গ্রামের জমি বিক্রেতা মো. আব্দুল্লাহর স্ত্রী সখিনা বেগম, উত্তর ধুরুং এর মৃত ইব্রাহিমের পুত্র শফি উদ্দিন জানান, দুই সপ্তাহ আগে দলিল তৈরি করে রেখেছি। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এসে শুনলাম, পহেলা জুলাই থেকে আগের রেজিস্ট্রি খরচ ছাড়াও উৎসে কর দিতে হবে প্রতি শতকে ২৫ হাজার টাকা। ফলে আটকে গেছে রেজিস্ট্রি কার্যক্রম। ২০২৫-২৬ সনের ধার্যকৃত নিয়ম অনুযায়ী চুক্তি হয় বিক্রেতার সাথে। বিক্রি দামের চেয়ে কর বেশি। দলিল লিখেও কবলা দিতে পারছি না। সুরাহা চাই এই ভোগান্তির।

কুতুবদিয়া দলিল লিখক সমিতির সভাপতি নুরুল আবছার বলেন, গত ৩ সপ্তাহে অন্তত শতাধিক দলিল জমা পড়ে আছে। তার নিজেরই জমা হয়ে আছে প্রায় ৫০টি। কবলা হচ্ছে না উৎসে কর আরোপের ফলে। পুরোনো গেজেট হঠাৎ কার্যকরে বিপাকে পরেছেন জমি বিক্রেতা, ক্রেতা, লিখকসহ সংশ্লিষ্ট পেশায় জড়িত মানুষ। দ্বীপাঞ্চলের জন্য উৎসে কর আরোপের গেজেট পুনরায় প্রকাশের দাবি করেন তিনি।

কুতুবদিয়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সহকারী সজীব কুমার দে জানান, মাসে গড়ে ১৪০-১৫০ টি রেজিস্ট্রি হয়ে থাকে। প্রতি শতকে ২৫ হাজার টাক উৎসে কর কার্যকরের ফলে কোনো জমি বিক্রি রেজিস্ট্রি হয়নি। গত ২৩ জুলাই পর্যন্ত মসজিদ কিংবা দানপত্র, হেবা দলিল হয়েছে মাত্র ২৫টি। কবলা রেজিস্ট্রি হয়নি একটিও। ফলে একমাসেই সরকার ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। এই গেজেট দ্বীপাঞ্চলের মানুষের জন্য বিরাট বোঝা মনে করেন তিনি।

আমির খসরু ও তার স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ২১ কোটি, নগদ টাকা ৩ কোটি

সেই জসিমের নগদ অর্থ মাত্র ১৫ কোটি টাকা, স্ত্রীর ১৪ লাখ

চট্টগ্রামে জলাতঙ্ক নির্মূলে ১৫ হাজার কুকুরকে টিকা

কুতুব‌দিয়ায় তুচ্ছ বিষয়ে চাচাতো বোনকে হত্যা

চট্টগ্রামে সবচেয়ে ধনী প্রার্থী বিএনপির, গরিব জামায়াতের প্রার্থী

চসিকের সাবেক কাউন্সিলর সুমন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

ধানমন্ডিতে ৫টি ফ্ল্যাট ও ৫ কাঠা জমির মালিক ব্যারিস্টার রুমিন, নগদ অর্থ কত?

সাতকানিয়ায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

৪৫৭ কোটি টাকার মালিক আসলাম চৌধুরীর ঋণ ১৭০০ কোটি

চাঁদপুরে অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের মনোনয়নপত্র দাখিল