হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

আনোয়ারা-কর্ণফুলীতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ, বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা

উপজেলা প্রতিনিধি, আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)

চট্টগ্রামের আনোয়ারা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন কমনওয়েলথের একটি পর্যবেক্ষক দল।

চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলায় দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সকাল দিকে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের ভিড় বাড়তে থাকে। কিছু কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।

দুপুর দেড়টা পর্যন্ত কয়েকটি কেন্দ্রে প্রায় ৪৫ শতাংশ ভোটগ্রহণের তথ্য পাওয়া যায়। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর এলাকা হাইলধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজামের এলাকা তৈলারদ্বীপ বারখাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সকাল সাড়ে আটটার দিকে কমনওয়েলথের একটি প্রতিনিধিদল আনোয়ারা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ শেষে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তবে দিনভর কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। একটি কেন্দ্রে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। দুপুর দুইটার দিকে গুয়াপঞ্চক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলায় ইসলামী ফ্রন্টের এক এজেন্ট আহত হন। আড়াইটার দিকে রায়পুর ইউনিয়নের গহিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় সেনাবাহিনীর একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এছাড়া পূর্ব বৈরাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এনসিপি নেতা মো. শাহেদের সঙ্গে ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

তবে আনোয়ারা-কর্ণফুলী উপজেলার মোট ১৯৬টি কেন্দ্রে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সকালে কিছু ভোটারের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণ ও প্রবীণ ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

ঝিবাশি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়ে অমিত হাসান নামে এক তরুণ বলেন, “আনন্দটা বলে বোঝাতে পারব না। নিজেকে আজ একজন গর্বিত নাগরিক মনে হচ্ছে।”

ষাটোর্ধ্ব আলী আকবর বলেন, “১৮ বছর পর পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি।”

আনোয়ারা উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার জানান, আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছিল। কোথাও বিশৃঙ্খলার চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফলে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।

বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী এহছানুল হক মিলন

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে বেসরকারিভাবে বিএনপির প্রার্থী জয়ী

বিপুল ব্যবধানে জয়ী বিএনপির সালাহউদ্দিন

জামালপুরের ৫টি আসনে বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে

লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বেসরকারিভাবে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী

কক্সবাজার-৩ আসনে ধানের শীষের লুৎফুর রহমান এগিয়ে

জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী বিজয়ী

চট্টগ্রাম-১৬ আসনে জামায়াত প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয়ী

কুমিল্লা-৮ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত

চট্টগ্রাম-৩ আসনে বিএনপির পাশা বেসরকারিভাবে জয়ী