চট্টগ্রামের পটিয়ায় রাতের আঁধারে প্রবাসীর বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে নগদ ৪ লাখ টাকা, সিসি ক্যামেরার ডিস্ক ও ৭ ভরি স্বর্ণসহ ২০ লাখ টাকারও বেশি মূল্যের মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রবাসী আবছারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পটিয়া থানার একটি দল তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রবাসীর পরিবার জানায়, প্রবাসী আবছারের বাড়িতে তার ভাই জসিম উদ্দীন পুরো পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। সোমবার বিকেলে ফটিকছড়ির মাইজভান্ডার দরবার শরীফে যাওয়ার জন্য তারা বাড়ি থেকে বের হন। রাতে জসিম উদ্দীনের ছেলে নাঈমুর রহমান দুর্জয় বাড়িতে রাত্রিযাপন করেন। মঙ্গলবার সকালে দুর্জয় বাড়ির কিছু দূরে অবস্থিত মৌলভীবাজার এলাকায় তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে (মুদির দোকান) চলে যান।
নাঈমুর রহমান দুর্জয় জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় বাড়িতে ফিরে তিনি দেখেন ঘরের দরজা খোলা এবং আলমিরা ও লকার ভাঙা। পরে বাড়ির জানালার গ্রিল কাটা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি তার বাবা জসিম উদ্দীন ও চাচা প্রবাসী আবছার উদ্দীনকে জানান এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পটিয়া থানার এসআই শ্রীভাস দের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী এসআই শ্রীভাস দে জানান, সন্ধ্যার পর যেকোনো সময় ঘটনাটি ঘটেছে বলে তাদের ধারণা।
প্রবাসী আবছারের ভাই শহীদুল ইসলাম জানান, বড় ভাই জসিম উদ্দীনের পরিবার না থাকার সুযোগে দুর্বৃত্তরা গ্রিল কেটে বাড়িতে ঢুকে আলমিরা ও লকার ভেঙে ৭ ভরি স্বর্ণ, নগদ ৪ লাখ টাকা, ল্যাপটপ এবং সিসি ক্যামেরার ডিস্কসহ মেমোরি নিয়ে যায়। পুরো বাড়িতে ৭টি সিসি ক্যামেরা ছিল। ডিস্ক নিয়ে যাওয়ায় কোনো ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।