চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় প্রবাসীর স্ত্রী নুরজাহান বেগমের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নর ভাটেরহৃদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নুরজাহান বেগম কুয়েত প্রবাসী আবুল কালামের স্ত্রী। তিনি চার সন্তানের জননী। খবর পেয়ে বিকেল ৩টার দিকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, নিজ বসতঘরের টয়লেটে গলাকাটা অবস্থায় নুরজাহান বেগমকে পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের কলেজপড়ুয়া মেয়ে নুর সুলতানা তানহা বলেন, “প্রতিদিনের মতো সকালে আমি কলেজে যাই। দুপুরে বাড়ি ফিরে দেখি আমাদের বিল্ডিংয়ের দরজা বন্ধ। অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে এক চাচাতো বোনের বাসায় যাই। কিছুক্ষণ পর আবার এসে দেখি দরজা খোলা। ঘরে ঢুকে টয়লেটে গলাকাটা অবস্থায় মাকে পড়ে থাকতে দেখি। চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা এসে মাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।”
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য খোরশেদ আলম জানান, নুরজাহান বেগম বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। প্রায়ই এনজিওর লোকজন টাকা আদায়ের জন্য তাদের বাড়িতে আসতেন। ঘটনার দিন সকালেও কয়েকজন এনজিওকর্মী বাড়িতে এসেছিলেন বলে তিনি শুনেছেন। তবে কোন এনজিওর লোকজন ছিলেন তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতের গলায় গভীর কাটা জখমের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্ত ও পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত আছে।