হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

সীতাকুণ্ডে অনুমোদনহীন শতাধিক ভবন

জহিরুল ইসলাম, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম)

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় বৈধ অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে শতাধিক ভবন। এসব ভবনের নকশা অনুমোদন, মাটির গুণগত মান পরীক্ষা (সয়েল টেস্ট), ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র নেই। ফলে অগ্নিকাণ্ড বা ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, একদিকে সরকার ও পৌরসভা কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অন্যদিকে অপরিকল্পিত নির্মাণের কারণে জননিরাপত্তা ও নগর ব্যবস্থাপনা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, সচেতন মহল ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ৭৪টি ফাইল বুঝে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন পৌরসভার নকশাকার মাসুম। অথচ পাঁচ শতাধিক ফাইল থাকার কথা ছিল।

তিনি বলেন, পৌরসভায় যোগদানের পর মাত্র ছয় মাসে দেড় শতাধিক নকশা অনুমোদনের আবেদন যাচাই করতে গিয়ে অন্তত আটটি ফাইলে অসংগতি ও স্বাক্ষর জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

একই ধরনের অভিযোগ করেছেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুন্নবী। তিনি আমার দেশকে বলেন, অতীতে ভবনের নকশা অনুমোদনের বিভিন্ন নথিতে তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিষয়টিকে তিনি গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতির কথা জানান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, দালাল চক্র এবং প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়ম চলে আসছে। ফলে অনুমোদনহীন ভবন নির্মাণ যেমন বেড়েছে, তেমনি পৌরসভাও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ও হোল্ডিং ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, অনেক ভবন সংকীর্ণ সড়কের পাশে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা মানদণ্ড উপেক্ষা করে নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে অগ্নিকাণ্ড বা অন্য কোনো দুর্যোগে ফায়ার সার্ভিস বা অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করাও কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাহাড় ও সমুদ্র উপকূলঘেঁষা ভূমিকম্পপ্রবণ সীতাকুণ্ড অঞ্চলে এ ধরনের অপরিকল্পিত নির্মাণ ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রকৌশলী কামরুজ্জামান আমার দেশকে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় করার জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সীতাকুণ্ড পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বলেন, স্বাক্ষর জালিয়াতি, নকশাসংক্রান্ত অনিয়ম এবং অনুমোদন ছাড়া ভবন নির্মাণের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযোগগুলোর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

জেডএম

মাকে মারধরের অভিযোগে ইমাম কারাগারে

ব্রাজিল সমর্থকের হামলায় আর্জেন্টিনা সমর্থক আহত

নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলায় আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

মহাসড়কে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে অটোচালককে গুলি

দুর্নীতিতে লোকসানের মুখে কুমিল্লা ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট

ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, সাবেক এমপি বাহারসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আ.লীগ নেতাকে কাজ পাইয়ে দিতে টেন্ডারে বিশেষ শর্ত

চট্টগ্রামে সাধারণ হিন্দুদের জমি দখলে ইসকনের হামলা-মারধর