হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জ-সরাইল বিশ্বরোডে যানজট

উপজেলা প্রতিনিধি, সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ছবি: আমার দেশ

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে নাড়ির টানে ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়কপথ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে। রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, নরসিংদী ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে সিলেট বিভাগের চার জেলা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যাতায়াতের প্রধান প্রবেশদ্বার আশুগঞ্জ-সরাইল বিশ্বরোড অংশ এখন কার্যত যানবাহনের অবরুদ্ধ করিডরে পরিণত হয়েছে।

বুধবার আশুগঞ্জ গোলচত্বর, সরাইল কুট্টাপাড়া ও বিশ্বরোড মোড় ঘুরে দেখা যায়, প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

কোথাও কোথাও একই সড়কে কয়েক স্তরে যানবাহনের সারি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

স্বাভাবিক সময়ে আশুগঞ্জ থেকে সরাইল বিশ্বরোডে যেতে যেখানে ২০ মিনিট সময় লাগে, সেখানে এখন সময় লাগছে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা।

তীব্র গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাসে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নারী, শিশু, শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ যাত্রীরা। অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগীরাও পড়েছেন সীমাহীন ভোগান্তিতে। অনেক যাত্রীকে ব্যাগ-লাগেজ মাথায় নিয়ে পায়ে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা গেছে।

দূরপাল্লার বাসচালক হাসেন, মহিম, মনসুর ও বেলাল জানান, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে বড় বড় খানাখন্দ ও ভাঙা রাস্তার কারণে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সামান্য বৃষ্টিতেই এসব স্থানে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পাশাপাশি নিয়ম না মেনে ওভারটেকিং ও অপরিকল্পিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও যানজটের বড় কারণ বলে মনে করছেন তারা।

চালকরা আরও জানান, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে অনেক সময় বাধ্য হয়ে কাঁচপুর ব্রিজ হয়ে কুমিল্লা ঘুরে প্রায় ২০০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিয়ে সিলেট অঞ্চলে যেতে হচ্ছে। এতে বাড়ছে সময়, জ্বালানি খরচ ও শারীরিক দুর্ভোগ।

এদিকে যানজটের সুযোগে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ছিনতাইকারী ও পকেটমার চক্র।

ধীরগতির যানবাহনের জানালা দিয়ে মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও নারীদের ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

সড়ক নির্মাণ প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের অক্টোবরে আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত ৫১ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের প্রকল্প অনুমোদন পায়।

পরবর্তীকালে ২০২০ সালের মার্চে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এফকনস ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড’ তিনটি প্যাকেজে কাজ শুরু করে।

তবে দীর্ঘ আট বছর পার হলেও আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে সরাইল বিশ্বরোড পর্যন্ত মাত্র ১২ কিলোমিটার অংশের কাজ এখনো শেষ হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতি ও অব্যবস্থাপনার কারণেই প্রতিদিন এ মহাসড়কে সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী যানজট।

এ বিষয়ে সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি আবু তাহের দেওয়ান আমার দেশকে বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। সীমিত জনবল নিয়েও হাইওয়ে পুলিশ দিন-রাত যানজট নিরসনে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, চার লেন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়া এবং রাস্তার বিভিন্ন অংশ খুঁড়ে রাখার কারণেই দুর্ভোগ বেড়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত ভাঙা অংশ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এমএইচ

‎মধ্যপ্রাচ্যকে অনুসরণ করে ‎পরশুরামে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটা বন্ধ করল পরিবেশ অধিদপ্তর

নাতনিকে দেখতে যাওয়ার পথে গাড়ির ধাক্কায় নানার মৃত্যু

বিএনপি নেতার ঈদ শুভেচ্ছার পোস্টার লাগাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

বর্ণিল সাজে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ

চট্টগ্রামে এবারো পুলিশ সদস্যদের জন্য পশু জবাই, বিশেষ ভোজ

সীতাকুণ্ডে অস্থায়ী পশুর হাট বন্ধে মরিয়া ঠিকাদার

জাল চেকে ৪ কোটি টাকা উত্তোলনের চেষ্টা, যুবদল নেতা বহিষ্কার

টানা বৃষ্টিতেও সীতাকুণ্ডে জমজমাট পশুর হাট, মহাসড়কে নেই যানজট

জঙ্গল সলিমপুর: থেমেছে গুলির শব্দ, থামেনি আতঙ্ক