মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ইজারা পেয়েও খেয়াঘাটে যেতে পারছেন না ইজারাদার মফিজ মিয়া। তিনি উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের মৃত মতিউর রহমান এর ছেলে।
মফিজ মিয়া বলেন, উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর বালুচর খেয়াঘাট ভৌগোলিক ভাবে গজারিয়া ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ইজারা দিয়ে থাকে গজারিয়া ইউনিয়ন। এবার ইজারা পেয়েছি আমি। তাই আমাকে মেনে নিতে না পেরে হুমকি দিচ্ছেন আগের ইজারাদার ফারুক গং। তার লোকজন এখনও ঘাট থেকে টাকা আদায় করছেন। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের পর গত ২২ মে ঘাটে যাই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ফারুক গংয়ের লোকজন আমাকে মারধরের পর গুম করে ফেলার হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে ফারুক বলেন, এই খেয়াঘাটের লভ্যাংশের টাকা স্থানীয় মসজিদ ও সামাজিক কাজে ব্যয় হয় সম্বলিতভাবে। এটা ইজারা নিয়ে থাকি কিন্তু এবার ইজারা প্রক্রিয়া সঠিক সময়ে হয়নি। মফিজ মিয়ার ইজারার কাগজ ভুয়া। সে জালিয়াতির মাধ্যমে এই কাগজ করে নিয়ে আসছে।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি তবে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে এই নিয়ে বিরোধ চলছে। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থাগ্রহণ করবো।