বিগত প্রায় ১৮ বছরে আওয়ামী-লীগ সরকার বাংলাদেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিল বলেই দেশ চীনের মতো উন্নয়নের পথে এগোতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি দাবি করেন, বিএনপি কখনোই কোনো দেশের দালালি করে না,বরং দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দলটি সব সময় আপসহীন অবস্থানে রয়েছে।
শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। রাশেদ খান বলেন, যারা বিএনপিকে ভারতের দালাল বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তারা বাস্তবতার কাছে ভুল প্রমাণিত হয়েছেন। বিএনপি যদি ভারতের দালালি করত, তাহলে সরকার প্রধান চীন সফরের আগে ভারত সফর করতেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তবিবুর রহমান মিনি, লুতফর রহমান লেন্টু,ইসরাইল হোসেন, বাহারুল ইসলাম কাজল প্রমুখ।
তিনি বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী ও বন্ধু প্রতিরাষ্ট্র আমরা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই। তবে সেই সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে। কোনো ধরনের আধিপত্য বা দাদাগিরি বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না।বেশি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্তে দেশের স্বার্থ রক্ষায় তারা চোখে চোখ রেখে জবাব দিচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় আছে বলেই বিজিবি এত শক্তিশালী অবস্থানে আছে। রাশেদ খান বলেন গত সংসদ নির্বাচনে দলের গ্রুপিং এর কারণে আমরা ঝিনাইদহ ৪ আসনটি হারিয়েছি।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন,জামায়াত ও এনসিপির কিছু নেতা আজ সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছেন। অথচ গত ১৭ বছর তারা নিজেদের দলীয় কার্যালয়ে তালাই খুলতে পারেননি। এখন তারা বড় বড় কথা বলছেন।
তিনি আরও বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ সংসদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। কিন্তু ইউনুস সরকারের সময় সরকারি বরাদ্দের বড় অংশ নিজের এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সেটি কি দুর্নীতির মধ্যে পড়েনা ?
রাশেদ খান বলেন, বিএনপি করতে হলে কোন প্রকার চাঁদাবাজি করা যাবে না, সালিশ করে টাকা নেওয়া যাবে না,শহরের ভ্যান রিকসা থেকে চাঁদা তুলা, মটর মালিক সমিতি থেকে ৮/১০ হাজার করে টাকা নেওয়া যাবে না। এভাবে টাকা নিলে বিএনপির রাজনীতি করা যাবে না। অপরদিকে তিনি বলে কালীগঞ্জ ওসি জেল্লাল হোসেন বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে আমরা এ ওসি কে কালীগঞ্জ থানায় চায় না।