হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

যমুনার ভাঙনে নদী গর্ভে বিলীন বসতবাড়ি, ফসলী জমিসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে চরাঞ্চলের পাকা সড়ক, বসতভিটা, ফসলী জমি, গাছপালা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভাঙনের মুখে রয়েছে শত শত ঘরবাড়ি, ফসলী জমি। ভাঙনের কারণে নদী পাড়ের মানুষের মধ্যে বাঁধ ভাঙা আতংক দেখা দিয়েছে।

বিশেষ করে সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়নের বড় কয়ড়া, বর্নি, কৈগাড়ি জড়তা ও কাজীপুর উপজেলার চর গিরিশ, নাটুয়াপাড়া ও নিশ্চিন্তপুর এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। নদী ভাঙন থেকে মাত্র ১৫০ মিটার দুরে রয়েছে পশ্চিম চর গিরিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফ্লাট সেন্টার। চর গিরিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয়দের দাবী গত কয়েক দিনে কাজীপুর উপজেলার চর গিরিশ, নাটুয়াপাড়া ও নিশ্চিন্তপুর এলাকার প্রায় দুই শতাধিক বাড়ি-ঘর ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বাড়ি-ঘর হারানো এসব পরিবারের তালিকা করে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন কাজীপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার।

ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত রাবেয়া খাতুন বলেন, ৫-৭ বছর আগে একবার ভাঙনে পড়েছিলাম। তিন দিন হলো আবার ভাঙনের মুখে। বাড়ি ঘর হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে।

ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত জাফর হোসেন বলেন, নদী ভাঙতাছে কেউ দেখতে আসেনাই। মুহূর্তেও মধ্যে নদী সব চইলা যাইতেছে। কিছুই করা নাই। অনেকে ঘর সরাইয়া নিছে। আবার অনেকের বাড়িঘর নদী গিলে খাইছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, নদীতে পানি

বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্টে এলাকায় ৯ সেন্টিমিটার ও কাজীপুর মেঘাইঘাট পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। তবে পানি বাড়লেও সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩৯ সেন্টিমিটার ও কাজীপুর পয়েন্টে বিপদ সীমার ১৮৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কিছু কিছু জায়গায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ভর্তি বালুর বস্তা ফেলা ভাঙন রোধে কাজ করছে।

কাজীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কাজীপুরে বিভিন্ন পয়েন্টে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। বসতবাড়ি ভেঙে যাচ্ছে। ভাঙনের মুখে থাকা পশ্চিম চর গিরিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ পর্যন্ত ৩০-৩৫ জনের নাম আমরা পেয়েছি যাদের বাড়ি ঘর যমুনায় বিলীন হয়ে গেছে। আমরা তালিকা করছি। ইতিমধ্যে আমরা বরাদ্দ পেয়েছি। আপাতত প্রত্যেককে ৩০ কেজি করে চালা দেওয়া হবে।

জৈব সার বিতরণে অনিয়ম, কৃষি কর্মকর্তা বদলি

ধামইরহাটে ৫ কষ্টি পাথরের মূর্তি পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে হস্তান্তর

চেম্বারে ঢুকে আইনজীবীর ওপর হামলা, যুবক আটক

নেশার টাকা না পেয়ে মাকে মারধর, ছেলের ৩ মাসের কারাদণ্ড

ভাঙ্গুড়া পৌরসভার ১৮ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় ছয় আসামির যাবজ্জীবন

বগুড়ায় কারামুক্ত স্বাচিপ নেতা

শেরপুরে চায়ের দোকানে ইয়াবা সেবন, আটক যুবক

রাজশাহীতে ছাদ থেকে পড়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

সারিয়াকান্দিতে অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার