হোম > সারা দেশ > রংপুর

ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এবার ঈদযাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কা

মিজানুর রহমান রাঙ্গা, সাঘাটা (গাইবান্ধা)

প্রতি বছর ঈদে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক দিয়ে উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলার মানুষ যাতায়াত করে। এবার এই মহাসড়কে গাইবান্ধা জেলা অংশে ৫৭ কিলোমিটার উন্নয়ন কাজের অর্ধেক বাকি রয়েছে। কাজ চলমান থাকলেও রয়েছে ধীরগতি।

ঈদের আগেই গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ী শহরে সড়কে চারমাথায় গাড়ির যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া চলতি পথে হঠাৎ কোনো গাড়ি নষ্ট হলে অন্য পাশ দিয়ে চলাচলের জায়গা নেই। বিশেষ করে গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ী পৌর শহরে কাজ চলমান থাকায় এতে চরম যানজটের সম্ভবনা রয়েছে। বিশেষ করে গোবিন্দগঞ্জ থেকে পলাশবাড়ী পর্যন্ত অন্তত ছয়টি স্থানে মাটি খুড়ে রাখায় গাড়ি চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়েছে।

গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগ সুত্র জানায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফাঁসিতলা থেকে উত্তরে সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট পর্যন্ত ঢাকা-রংপুর জাতীয় মহাসড়কের ৩২ কিলোমিটার অংশ গাইবান্ধা জেলার সীমানায় পড়েছে। সরকার দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি মহাপরিকল্পনা হাতে নেয়। প্রকল্পের নাম দেওয়া হয় সাউথ এসিয়ান সাব রিজওয়ানাল ইউকোনোমিক কর্পোরেশন (সাসেক)। প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন (সিএসসিইসি) কাজের দায়িত্ব পায়। প্রতিষ্ঠানটি গাইবান্ধা জেলার ৩০ কিলোমিটার অংশের কাজের দায়িত্ব পায়। এই অংশের কাজের জন্য ২০১৮ সালে দরপত্র আহবান করা হয়। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে কাজ শুরু হয়। কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। নির্দিষ্ট সময়ে দুই বছর পার হলেই মহাসড়কটির জেলার অংশে অর্ধেক কাজ বাকি রয়েছে।

শ্যামলী যানবহনের সুপারভাইজার হেলাল উদ্দিন বলেন, ঈদুল ফিতরে মহাসড়ক স্বাভাবিক ও যানবাহনের চাপ ছিল কম। এবারের ঈদ যাত্রায় যানজটের ভোগান্তি পোহাতে হবে। এবারে মানুষের চাপে যানবাহনের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। পশুবাহী ট্রাক বৃদ্ধি পাবে। এবার ঈদের আগে ছুটি কম।

গাইবান্ধার যাত্রী সায়মন কবির বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষ সব সময় বৈষম্যর শিকার হয়ে উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে থাকে। ঢাকা থেকে রংপুর মহাড়কের অন্যান্য জয়গায় কাজ মোটামুঠি শেষ পর্যায়ে হলেও গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থেকে সাদুল্ল্যাপুর অংশের কাজ এখনো অর্ধেক শেষ হয় নাই। অথচ এই পথ দিয়ে রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার মানুষ প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে। দ্রুত কাজ সম্পূর্ণ করার দাবি জানান তিনি।

পলাবাড়ীর স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, মহাসড়কের কাজ ধীরগতিতে হওয়ায় পলাশবাড়ী থেকে গোবিন্দগঞ্জ পর্যন্ত জ্যাম লাগে। গত বছরেও জেলার এই অংশে ঈদে যানজট লেগেছিলো। এবার ঈদের ব্যাপক জানজটের আশঙ্কা করছেন তিনি।

গাইবান্ধা মোটর শ্রমিকের সভাপতি আশরাফুল আলম বাদশা বলেন, মহাসড়কে যেন যানজট না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের সাথে আমাদের মিটিং হয়েছে। যানজট নিরসরনের জন্য পুলিশ, সেনাবাহিনীর পাশাপাশি মোটর শ্রমিকরা কাজ করবে।

গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী পিয়াস কুমার সেন বলেন, মহাসড়কের কাজটি আমরা করছি না। এই কাজগুলোর জন্য আলাদা আলাদা সেকশন করে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা কাজ শেষ শুধু আমাদের কাছে বুঝে দিবে।

প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী আশিক কাদির বলেন, ২০২৩ সালে ডিসেম্বরের মধ্য কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। আশা রাখছি কাজ এই নির্দিষ্ট সময়ের সময়ের মধ্য শেষ হবে। এবার ঈদুল আজহায় তেমন একটা যানজট হবে না। রাস্তার দুই পাশে ২৫ ফিট করে যাতায়াতের জন্য ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ ভোগান্তি ছাড়ায় বাড়ি ফিরতে পারবে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমেদের সাথে একাধিকবার যোগযোগের চেষ্টা করেও কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ব্যবসায়ীদের মার্জিমাফিক চলছে রংপুরে নিত্যপণ্যের বাজার

গণভোট উপেক্ষা করলে জনগণ সরকারের পাশে থাকবে না

সাদুল্যাপুরে কাভার্ড ভ্যান-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

সাঘাটায় বারি রসুন-৪ চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের

শহীদ মিনার বিহীন স্কুলটিতে পতাকা স্ট্যান্ডই ভরসা

রাণীশংকৈলে কোটি টাকার মার্কেট দুই বছরেও চালু হয়নি

যমুনেশ্বরী নদী দখল করে প্রভাবশালীদের চাষাবাদ

পঞ্চগড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও মেয়ের মৃত্যু

প্রতিটি ওয়াদা পূরণে আমি সরকারি দপ্তরে দপ্তরে ছুটে যাবো

পীরগাছাকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়তে চাই