কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে তিন সন্তানের জননী এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূ মহিমার স্বামী সহিদুল ইসলাম বাবলু পলাতক থাকায় ঘটনাটি ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়ন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বানিয়ার ভিটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা সকালে ঘরের ভেতরে ওই নারীর গলাকাটা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। রোববার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত তিন সন্তানের জননী মহিমা বেগম (৪০) ওই এলাকার রজব আলীর ছেলে সহিদুল ইসলাম বাবলুর স্ত্রী। মরদেহের গলায় ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষতচিহ্ন রয়েছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ হিল জামান জানান, এ হত্যাকাণ্ডে কারা বা কোন পক্ষ জড়িত, সে বিষয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এসআই