হাড় কাঁপানো কনকনে শীতে দিনাজপুরে মানুষ কাহিল হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড শীতে মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুসহ অন্যান্য প্রাণিকূলও কাহিল হয়ে পড়েছে। নতুন বছরের প্রথম দিন তাপমাত্রা দুইয়ের ঘর থেকে কমে একয়ের ঘরে চলে পৌঁছেছে।
বছরের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) দিনাজপুরে সকাল ৬ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে ২৭ ডিসেম্বর হতে ৩০ ডিসেম্বর ৪ দিন দিনাজপুরে সূর্যের দেখা মিলেনি। ৪দিন পর বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সূর্য দেখা গেলেও তাপ অন্য সময়ের কম ছিল।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) দিনাজপুরে সকাল ৬ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।
প্রচন্ড শীতে মানুষজন কাহিল হয়ে পড়েছে। শীতের কারণে সবচেয়ে বেশী বিপাকে পড়েছে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। কাজ না পেয়ে এসব দারুণ কষ্টে দিনাতিপাত করছেন এসব মানুষ।
হিমেল হাওয়া, ঘন কুয়াশা ও তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। এতে জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। শিশু, বৃদ্ধ, অসুস্থ ও শ্রমজীবী মানুষের অবস্থা আরো অসহনীয় হয়ে উঠেছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় শীতজনিত রোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। শিশু ও বয়স্করা শীতজনিক রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ফলে দিনাজপুর মেডিকেল হাসপাতাল, দিনাজপুর জেনারেল অব হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অন্য সময়ের তুলনায় বেড়েছে।