ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, সবার আগে বাংলাদেশ। এ দেশে সবার আগে অগ্রাধিকার পাবেন এ দেশের জনগণ। হাওরে যারা ফসল ফলায়, মাছ ধরেন তারাই অগ্রাধিকার পাবেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতি আন্তরিক। প্রধানমন্ত্রী চান জল যার জলা তার হোক।
শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সরকারি জলমহাল আইন ২০২৬ এর খসড়া চূড়ান্তকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, সুনামগঞ্জ জলাবদ্ধতায় ফসল ডুবে যাচ্ছে। কৃষক চিন্তায় আছে। ৭১ সালে দেশ স্বাধীন হয়েছে। ৭৪ সালে দুর্ভিক্ষ হয়েছে। এটা ছিল পরিকল্পিত। আমরা খাদ্য নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত আছি। হাওরে জলমহাল পায় জেলেরা। ভোগ করেন প্রভাবশালীরা। এটা চলতে দেয়া হবে না। এরা মৎস্যজীবীদের আহার কেড়ে নেয়। গত ১৭ বছর অনেক হয়েছে। আর কত? এসব আর হতে দেয়া হবে না। আমরা শিক্ষা, স্বাস্থ্যে ও খাদ্যে এগিয়ে যেতে চাই।
সুনামগঞ্জ, সিলেট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সুনামগঞ্জের মাটি সমৃদ্ধ। এ মাটিতে হাছনরাজা, রাধারমন, আব্দুল করিম, দুর্বিন শাহর জন্ম হয়েছে। এ মাটি ধন্য। সিলেট আধ্যাতিক শহর। শাহজালালের পূণ্যভূমি। সিলেট তারেক রহমানের শ্বশুরের এলাকা।
তিনি আরো বলেন, ইসরায়েল ইরান এটাক করার ফলে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তাতে একপ্রকার বিশ্বের জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এ সংকট মোকাবিলায় আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে। জ্বালানির কারনে হাওরে ধান ঘরে তুলতে যাতে কোন সমস্যা না হয়। কৃষক যেন বাঁচে। ধান যেন নির্বিঘ্নে ঘরে তুলতে পারে সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে।
কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, কয়ছর এম আহমেদ, নুরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান কামরুল, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার রেজা উন নবী, জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।