সিলেট-২ (ওসমানীনগর–বিশ্বনাথ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল হান্নান এবং গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জামান আহমদ সিদ্দিকী তাদের নিজ নিজ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এর আগে জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে সিলেট-২ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ মুনতাসির আলীকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল হান্নান মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। একইভাবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনাকে সমর্থন দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জামান আহমদ সিদ্দিকী তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ছোহরাব আলী বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত এবং জোটের ঐক্যের স্বার্থে আমরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছি। জোটের শরিক প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করব।
এদিকে সিলেট-২ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবরার ইলিয়াস ও আব্দুস শহীদের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে তারা কেউই নির্বাচন কমিশনে আপিল করেননি।
পরবর্তীতে ২০ জানুয়ারি জোটের স্বার্থে জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান ও গণঅধিকার পরিষদের জামান আহমদ সিদ্দিকী মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় শেষ পর্যন্ত সিলেট-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন মোট ৫ জন প্রার্থী। তারা হলেন,বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনা,খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ মুনতাসির আলী,
জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, গণফোরামের প্রার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোঃ মুজিবুল হক এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা আমির উদ্দিন।
জোট নেতারা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জোটের ভেতর ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে এবং নির্বাচনি মাঠে সমন্বিতভাবে শক্তিশালী লড়াই গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জোট প্রার্থীদের পক্ষে ইতিবাচক ফলাফল অর্জন করা যাবে।