সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে আধিপত্য ও পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা শাহদ্বীপ মেম্বার ও যুবলীগ নেতা মুহিত মিয়ার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একজন নিহত ও অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের আলিনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রতন মিয়া (২৭) শাহদ্বীপ মেম্বারের লোক বলে জানা যায়।
খবর পেয়ে দিরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা যায়, ভাটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য শাহদ্বীপ মেম্বার এবং আলিনগর গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলাও রয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে সংঘটিত আরেকটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
মঙ্গলবার ভাটিপাড়া বাজার থেকে আলীনগর আসার পথে শাহদ্বীপকে পথরোধ করে মারধর করেন মুহিত মিয়া ও তার লোকজন। পরে শাহদ্বীপের লোকজন দলবল নিয়ে এলে উভয় পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
আহতদের সন্ধায় ৭টায় উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসে স্থানীয়রা। গুরুতর আহত ছয়জনকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে একই গ্রামের রতন মিয়া (২৭) আজ সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান।
এ ছাড়া সংঘর্ষে আবদুল মুহিত পক্ষের আহত অন্তত ২০ জন ও শাহ দীপের পক্ষের কয়েকজন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক চৌধুরী বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএইচ