হোম > বাণিজ্য

তিন মাসে ২ বিলিয়ন ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

ডলারের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে আরও ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ১৩ জুলাই প্রথমবারের মতো নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার পর্যন্ত প্রায় তিন মাসে মোট ১৯৮ কোটি বা ১ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ডলার বাজার অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় ভালোভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলো থেকেও বড় অঙ্কের ঋণ পাওয়া গেছে। এর ফলে বাজারে ডলারের সরবরাহ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। তবে সরবরাহ বাড়লেও চাহিদা কম থাকায় ডলারের দর নিম্নমুখী। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের দর অতিমাত্রায় কমতে দিচ্ছে না—মূলত প্রবাসী আয়কারী ও রপ্তানিকারকদের স্বার্থ রক্ষার্থে।

২০২২ সাল থেকে ডলার বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। আওয়ামী লীগ সরকার বাজার স্থিতিশীল রাখতে না পেরে রিজার্ভ থেকে বিপুল পরিমাণ ডলার ছাড়ে। তবুও স্থিতিশীলতা ফেরেনি। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, গত তিন অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। এর মধ্যে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হয়। অথচ এই সময়ে মাত্র ১ বিলিয়ন ডলারের মতো ডলার ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে কেনা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘বর্তমানে বাজারে ডলারের চাহিদার চেয়ে জোগান বেশি রয়েছে। ডলারের দাম যাতে অস্বাভাবিকভাবে কমে না যায়, সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখছে। ডলারের দর কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ তিনি আরও জানান, ডলার কেনার মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৬ অক্টোবর শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ অনুযায়ী তা ২৬ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার।

আইএমএফ’র ঋণ কর্মসূচির শর্ত পূরণে গত মে মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু করে। তার এক বছর আগেই চালু করেছিল ক্রলিং পেগ পদ্ধতি, যেখানে বিনিময় হার নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করত।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু থাকলেও ডলারপ্রতি দর ১২৩ টাকার বেশি উঠলে বা ১২১ টাকার নিচে নামলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হস্তক্ষেপ করবে এবং বিনিময় হারের একটি সীমা বজায় রাখবে। তথ্যানুযায়ী, সোমবার ডলারের দর ছিল ১২১ টাকা ৮০ পয়সা।

জ্বালানি আমদানির দায় মেটানোর চাপে বাড়ল ডলারের দাম

ইউসিবিতে একক ব্যক্তি বা পরিবারের শেয়ার ধারণে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়

পোশাকশিল্পের টেকসই রূপান্তর তুলে ধরবে বাটেক্সপোর ‘ইমপ্যাক্ট জোন’

জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগে বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ

অবকাঠামোয় অর্থায়নে বিকল্প উৎস যমুনা সেতু

অর্থবছরের প্রথম তিন মাস বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয়

রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বেড়েছে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা

রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বেড়েছে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা

আয়কর রিটার্ন না দিলে যে ৫ বিপদে পড়তে পারেন

রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকে নতুন এমডি, বেসরকারি ব্যাংক থেকে দুজন