হোম > বাণিজ্য

ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল নিয়ে ঢাকায় তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি

ঢাকা সফরে এসেছেন তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ড. ওমের বোলাত। ব‍্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে বুধবার রাত ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার বাণিজ্য উপদেষ্টা ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন ড. ওমের বোলাত এবং রাতেই তুরস্কে ফিরে যাবেন।

এ সফরের মূল লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা। তুরস্ক ও বাংলাদেশের মধ্যে পোশাক, কৃষি, প্রযুক্তি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হবে।

ইতোমধ্যে, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বাণিজ্য সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তুরস্ক ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে এবং দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে রয়েছে তৈরি পোশাক, যা তুরস্কে ব্যাপকভাবে রপ্তানি করা হয়। এছাড়া, বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হচ্ছে জুট, জুটজাত পণ্য, চা, চিংড়ি, ফার্নিচার, হস্তশিল্প, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।

অপরদিকে, তুরস্ক বাংলাদেশে রপ্তানি করে টেক্সটাইল মেশিনারি, ইস্পাত, লোহা, খাদ্যপণ্য যেমন অলিভ অয়েল এবং গম, কেমিক্যাল ও ফার্মাসিউটিক্যালস, গৃহস্থালী পণ্য, সিরামিক, কাঁচ এবং আসবাবপত্র। উভয় দেশ তাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার সুযোগ খুঁজে বের করছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের বিপুল চাহিদা তুরস্কের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হয়ে উঠেছে।

তুরস্ক ও বাংলাদেশের এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক দুই দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আজ বন্ধ থাকবে ব্যাংকের লেনদেন

বেসরকারি ঋণে লাগাম নতুন মুদ্রানীতিতে

বিপিপিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ই-জিপি আধুনিকায়নে প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

মুদ্রানীতিতে বাজেটের সুফল ম্লান হতে পারে: ডিসিসিআই

সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় বুধবার থেকে ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক

জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমাল বাংলাদেশ ব্যাংক

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে মুদ্রানীতি ঘোষণা

সুদ বাড়িয়েও মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি কমানো যায়নি