হোম > বাণিজ্য

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কে কমতে পারে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি

এডিবির পূর্বাভাস

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

সম্প্রতি বাংলাদেশের পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্কারোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে সরকার ও ব্যবসায়ী দুই মহলেই উদ্বেগ রয়েছে। এদিকে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) পূর্বাভাস দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কের প্রভাবে চলতি অর্থবছরই বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমতে পারে। সংস্থাটি বলেছে, চলতি অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ধরা হয়েছে। এর পেছনে রপ্তানি ও শিল্প খাতের ধীরগতিই মূল কারণ। এছাড়া রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কের প্রভাব। তবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত হবে, তা বলা হয়নি।

সম্প্রতি প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক জুলাই সংস্করণে এ কথা বলা হয়েছে। এ সংস্করণে দেশভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি ইত্যাদির পূর্বাভাস দেওয়া হয় না। মোটাদাগে বড় কয়েক দেশের তথ্যসহ আঞ্চলিক পর্যায়ে এসবের তথ্য দেওয়া হয়। অর্থনীতির গতি প্রকৃতির বিশ্লেষণ দেওয়া হয়।

গত এপ্রিলে প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ দশমিক ১ শতাংশ। এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়। পরে তা কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করা হয় এবং আগামী ১ আগস্ট থেকে তা কার্যকর করার কথা। এ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনে সঙ্গে দর-কষাকষি করছে বাংলাদেশ সরকার। নতুন পাল্টা শুল্ক আরোপ হলে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করতে বাড়তি শুল্ক দিতে হবে। এ খাতের ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এতে পণ্যের রপ্তানি ব্যাপকভাবে কমতে পারে, যা সার্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে।

এদিকে মূল্যস্ফীতি সম্পর্কে এডিবির জুলাই সংস্কার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদায়ী অর্থবছরের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। এর পেছনে বৈশ্বিক পণ্যমূল্যের স্থিতিশীলতা, কড়াকড়ি আর্থিক ও রাজস্বনীতি ভূমিকা রেখেছে। একই কারণে ২০২৬ অর্থবছরের পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গত এপ্রিলে এডিবির প্রতিবেদনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সার্বিক গড় মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশ নেমে আসার পূর্বাভাস দেওয়া হয়।

তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজমান আছে। তবে কয়েক মাস ধরে মূল্যস্ফীতি কমেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, গত জুনে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ হয়েছে, যা ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। গত এক বছরের মধ্যে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে। পরের সাত মাস খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের বেশি ছিল। পরের পাঁচ মাসে তা ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসে।

জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৩ শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে নিয়মিত করার সুযোগ

আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

২৬ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে লাগবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন

মুখোমুখি অবস্থানে বস্ত্রকল ও পোশাকশিল্প মালিকরা

ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভাঙল অতীতের রেকর্ড

বিডার ওয়ান স্টপ সার্ভিসে যুক্ত হলো নতুন ১১ প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশকে ৩০ হাজার টন সার উপহার রাশিয়ার

সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ বাতিলের দাবি

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ সাড়ে ২৯ হাজার কোটি টাকা

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগ