হোম > বাণিজ্য

দুর্বল ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর ঘোষণার প্রক্রিয়া এক সপ্তাহর মধ্যেই

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশের আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার।

দুর্বল ৯টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে (এনবিএফআই) অকার্যকর ঘোষণা করার আইনি প্রক্রিয়া এক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত আর্থিক অবস্থা নির্ধারণে স্বাধীন অডিটর দিয়ে সম্পদ মূল্যায়ন করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

গভর্নর বলেন, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে রোজার আগেই এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত পর্যায়ের আমানতকারীরা তাদের মূল টাকা ফেরত পাবেন। তবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ধাপে ধাপে নিষ্পত্তি করা হবে। সরকার থেকে তহবিল পাওয়ার ওপর তা নির্ভর করবে।

নয়টি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো—এফএএস ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের মোট খেলাপি ঋণের ৫২ শতাংশ এই নয়টি প্রতিষ্ঠানের। গত বছরের শেষে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৮৯ কোটি টাকা।

এই নয়টির মধ্যে আটটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারপ্রতি গড় নিট সম্পদমূল্য ঋণাত্মক ৯৫ টাকা। এখান থেকে বোঝা যায়, সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া তাদের পক্ষে দায় পরিশোধ করা প্রায় অসম্ভব। সহজ ভাষায় বললে, প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ বিক্রি করে সব ঋণ শোধ করলেও সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কিছুই থাকবে না, অথবা থাকলেও তা খুবই সামান্য।

কর ফাঁকি রোধে স্বয়ংক্রিয় ইন্টিগ্রেটেড প্রোফাইল চালু করবে এনবিআর

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ

অননুমোদিত ৩১ ঋণ অ্যাপ নিয়ে সতর্ক করল বিএফআইইউ

প্রণোদনা প্যাকেজে ৪১ হাজার কোটি টাকা দেবে ১৭ ব্যাংক

খেলাপি ঋণ আদায়ে একীভূত ৫ ব্যাংকের ১০ হাজার মামলা

রেমিট্যান্স-রিজার্ভে স্বস্তি ফিরলেও অর্থনীতির সংকট কাটেনি

দুই লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ পরিশোধের চাপে সরকার

টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তার মহাপরিকল্পনা করেছে সরকার

স্বর্ণ চোরাচালানের নিরাপদ করিডর, হোতারা অধরা

একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকরা সেপ্টেম্বর থেকে প্রয়োজনীয় টাকা তুলতে পারবেন