হোম > বাণিজ্য

ছয় মাসে ব্যাংকে ফিরল ২১ হাজার কোটি টাকা

রোহান রাজিব

ছবি: সংগৃহীত

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতার শেষ দশ মাসে মানুষ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিজেদের হাতে ধরে রাখতে শুরু করেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতের অনিয়ম-লুটপাট হওয়া খবর বেরিয়ে আসে। এতে এ খাতের ওপর মানুষের আস্থার আরো অবনতি হয়। আস্থা কমার প্রভাবে মানুষ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেয়। এতে গত আগস্টে ব্যাংক ব্যবস্থার বাইরে রেকর্ড ২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা স্থিতি দাঁড়ায়। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নানা উদ্যোগে স্থিতিশীলতা ফেরায় ব্যাংকের খাতের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে। গত ছয় মাসেই মানুষের হাতের প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা ব্যাংকে ফিরেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে নানা লুটপাট হয়েছে। এসব তথ্য লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তা বেরিয়ে আসছে। ফলে প্রথমদিকে ব্যাংক থেকে মানুষ টাকা তুলে নেয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা উদ্যোগে ব্যাংক খাতের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। ফলে গ্রাহকদের মধ্যে যারা অতিরিক্ত টাকা তুলেছিলেন, সেই টাকা আবার ব্যাংকে রাখতে শুরু করেছেন।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের গত বছরের অক্টোবরে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। পরের মাস নভেম্বরে সেটা বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা ও ডিসেম্বরে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা ছিল। গত বছরের জানুয়ারিতে ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৯৫ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫৭৪ কোটি, মার্চে ২ লাখ ৬১ হাজার ১৯৫ কোটি, এপ্রিলে বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৭০ হাজার ৬৫৮ কোটি, মে মাসে ২ লাখ ৭০ হাজার ৬৫৮ কোটি, জুনে ২ লাখ ৯০ হাজার ৪৩৬ কোটি, জুলাইয়ে ২ লাখ ৯১ হাজার ৬৩০ কোটি এবং আগস্টে বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৯২ হাজার ৪৩৪ কোটি ৪ লাখ টাকায়। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকের বাইরে টাকা কমতে শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতা এখনো রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংকের বাইরে মানুষের হাতে থাকা টাকার পরিমাণ কমে ২ লাখ ৭১ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা হয়েছে। অর্থাৎ গত ছয় মাসে ব্যাংকে টাকা ফিরেছে ২০ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আমার দেশকে বলেন, গত বছরের শেষের দিকে কিছু ব্যাংকে তীব্র তারল্য সংকট দেখা দিয়েছিল। তার ধারাবাহিকতায় বেশকিছু ব্যাংক থেকে মানুষের টাকা তোলার প্রবণতা দেখা দিয়েছিল। সেই প্রবণতা এখন অনেকটা বন্ধ হয়েছে। এখন বিভিন্ন ব্যাংক আমানতের আনতে ভালো সুদহার অফার করছে। এতে আকৃষ্ট হয়ে নতুন নতুন গ্রাহক আসছে। তারা ডিপোজিট করছে। এর ফলে যেসব টাকা ব্যাংকের বাইরে চলে গেছে তা আবার ফিরে আসছে।

অর্থনীতি নতুন পদ্ধতিতে শুরু করেছি: অর্থমন্ত্রী

এক বছরের মধ্যে বদলে যাবে পুঁজিবাজার: বিএসইসি চেয়ারম্যান

সিএসইর কমোডিটি মার্কেট চালুর জট খুলছে

ক্রেতাশূন্য মার্কেটে দোকানিদের হাহাকার

সবজিতে স্বস্তি মিললেও মাছ-মুরগি-ডিমে অস্বস্তি

জেনেভায় বাংলাদেশের বিনিয়োগ উদ্যোগের প্রশংসা

চামড়া শিল্পে বড় সংস্কার পরিকল্পনা সরকারের

হাইটেক পার্কের প্রতিষ্ঠানের বিদেশি অর্থ পরিশোধে ছাড়

জামানত ছাড়া তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

আইডিআরএর উদ্যোগে ১৪.৫১ কোটি টাকার দাবি পরিশোধ