হোম > বাণিজ্য

অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে সারা বছরই

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

আগামীতে সারা বছরই অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা। তবে এ জন্য বাড়তি অর্থ গুনতে হবে। গতকাল রোববার আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, চলতি আয়কর বর্ষে কোনো জরিমানা ছাড়াই ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন করদাতারা। এ সময় শেষ হওয়ার পরও রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। তবে যে অর্থের রিটার্ন জমা বাকি থাকবে, তার জন্য প্রতি মাসে ২ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। তবে এ সুদ কোনো অবস্থায়ই ৪৮ শতাংশের বেশি হবে না।

এদিকে চলতি আয়কর বর্ষে দুই দফা সময় বাড়িয়ে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ৩১ জানুয়ারি এবং করপোরেটের জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করেছে এনবিআর। এ পর্যন্ত ১২ লাখ ব্যক্তি আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন। ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪ লাখ আয়করদাতা রিটার্ন জমা দেবেন বলে আশা করছেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

এবার কিছু ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার ধরন পাল্টে অনলাইনে জমা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গত ২২ অক্টোবর এনবিআরের আদেশে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকার সরকারি কর্মকর্তা, তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানির কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকটি বহুজাতিক কোম্পানির কর্মকর্তাদের অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বহুজাতিক কোম্পানিগুলো হলো ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড, ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড, বাটা শু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড ও নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি। এসব কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার অনলাইনে রিটার্ন জমা বেড়েছে।

আজ বন্ধ থাকবে ব্যাংকের লেনদেন

বেসরকারি ঋণে লাগাম নতুন মুদ্রানীতিতে

বিপিপিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ই-জিপি আধুনিকায়নে প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

মুদ্রানীতিতে বাজেটের সুফল ম্লান হতে পারে: ডিসিসিআই

সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় বুধবার থেকে ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক

জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমাল বাংলাদেশ ব্যাংক

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে মুদ্রানীতি ঘোষণা

সুদ বাড়িয়েও মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি কমানো যায়নি