হোম > বাণিজ্য

বেমেয়াদি ফান্ডে রূপান্তরে লাগবে ৭৫ শতাংশ ইউনিট হোল্ডারের অনুমোদন

বিএসইসির নীতিমালা জারি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের (ক্লোজ এন্ড) মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বেমেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডে (ওপেন এন্ড) রূপান্তরে বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) উপস্থিত ইউনিট হোল্ডারদের ৭৫ শতাংশের অনুমোদন থাকতে হবে। এ অনুমোদন না পাওয়া গেলে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড অবসায়ন করতে হবে।

মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডকে বেমেয়াদি ফান্ডে রূপান্তরে বিএসইসির নীতিমালায় এমনটিই বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত নীতিমালা জারির বিষয়ে নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর কোনো মেয়াদি ফান্ডের মেয়াদ হবে না। ফান্ডের মেয়াদ শেষে ট্রাস্টি এটিকে বেমেয়াদি ফান্ডে রূপান্তর অথবা অবসায়নের ব্যবস্থা নেবে।

মিউচুয়াল ফান্ড বিধি ৫২(২) অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে বাজার মূল্য এবং নিট সম্পদ মূল্যের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী ব্যবধান থাকলে ট্রাস্টিকে ইউনিটহোল্ডারদের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করতে হবে। যদি সভার তিন-চতুর্থাংশ (৭৫%) ইউনিটহোল্ডার রূপান্তর প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে ফান্ডটি বাধ্যতামূলকভাবে অবসায়ন বা গুটিয়ে ফেলতে হবে। তবে সম্পদ ব্যবস্থাপক স্বেচ্ছায় রূপান্তরের প্রস্তাব দিলে ফান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ১৫০ দিন আগেই ট্রাস্টি বোর্ডকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রূপান্তর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা রক্ষায় রেকর্ড ডেট থেকে ইউনিটের লেনদেন স্থগিত থাকবে এবং এই স্থগিতাদেশের ৩ দিনের মধ্যে একটি ‘কার্যকর তারিখ’ নির্ধারণ করতে হবে, যেদিন থেকে ট্রাস্টি ফান্ডের সমস্ত নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করবেন। রূপান্তরের পুরো প্রক্রিয়াটি সভার সিদ্ধান্তের ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে।

রূপান্তর সংক্রান্ত ব্যয়ের বিষয়ে বলা হয়েছে, রূপান্তরের মোট খরচ ফান্ডের আকারের ১ শতাংশের বেশি হতে পারবে না এবং সম্পদ ব্যবস্থাপক ফি হিসেবে ০.৫০ শতাংশের বেশি দাবি করতে পারবেন না। এছাড়া ট্রাস্টি ফি সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে রূপান্তরিত ফান্ডের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি মওকুফ করা হয়েছে।

রূপান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ট্রাস্টিকে একজন স্বতন্ত্র নিরীক্ষক নিয়োগ করতে হবে, যিনি ফান্ডের সম্পদের সঠিক মূল্যায়ন করবেন। এই অডিট রিপোর্ট ও ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট অনুমোদনের পর তা পত্রিকায় প্রকাশ করতে হবে। এছাড়া রূপান্তরিত বেমেয়াদি ফান্ডের ইউনিটগুলো ডিজিটাল বা ডিম্যাটেরিয়ালাইজড আকারে থাকবে, যা স্টক এক্সচেঞ্জের প্ল্যাটফর্‌ম ব্যবহার করে কেনা-বেচা বা রিডেম্পশন করা যাবে।

এএস

দেশের রিজার্ভে সুখবর, ছাড়াল ৩৬ বিলিয়ন ডলার

৮২২ কোটি টাকার ভোজ্যতেল ও ডাল কেনার অনুমোদন দিল সরকার

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করছে ব্যাংক

দেশে ব্যাংক হিসাব ১৯ কোটি ৩২ লাখ: অর্থমন্ত্রী

মুদির দোকান ও বিউটি পার্লার আসছে ভ্যাটের আওতায়

স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল কত

খেলাপি ঋণ, ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ, পুনঃতফসিল, দেউলিয়া—এসব শব্দের অর্থ কী

টাকা ছাপিয়ে ফের ধার দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রবাসীদের বিনিয়োগ বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন উদ্যোগ

পাঁচ-সাতটি খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী