পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সবচেয়ে বেশি ঘুষ বাণিজ্য হয়। আর সেটি বেশিরভাগই বদলিকে কেন্দ্র করে। আমি গোয়েন্দা বিভাগের মাধ্যমে খোঁজ নিয়েছি, তারা বলেছে এখানে মধ্যস্বত্বভোগী অনেক।
গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত সিটিজেন পারসেপশন সার্ভের (সিপিএস) তথ্য প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ জরিপটি বিবিএস চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশব্যাপী পরিচালনা করে।
ঘুষ প্রসঙ্গে ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, জরিপে উঠে এসেছে ৩১ শতাংশ নাগরিককে ঘুষ দিতে হয়। নারীদের কাছে তুলনামূলক ঘুষ কম চাওয়া হয়েছে। উচ্চবিত্তরা ঘুষ দেন বেশি। ঘুষ দিয়ে তারা মূলত সেবা কিনে নেন। পুলিশের দুর্নীতিতে হতাশা ব্যক্ত করে উপদেষ্টা বলেন, তারা তো এখনও দাঁড়াতেই পারেনি, তারপরও তারা দ্বিতীয় অবস্থানে।
জরিপের তথ্যে বলা হয়, সেবা নিতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির শিকার হতে হয়েছে বিআরটিএ অফিসে, এক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশ বাহিনী।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরও বেপরোয়া সরকারি এসব সংস্থা। ঘুষ চাওয়ার ক্ষেত্রে শুধু অন্য সরকারি অফিসগুলোর মধ্যে রয়েছে, পাসপোর্ট অফিস, ভূমি অফিস।