হোম > বাণিজ্য > ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

একীভূত পাঁচ ব্যাংকের অনিশ্চিত গন্তব্য

রোহান রাজিব

দুর্বল পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে গঠন করা হয়েছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত এ ব্যাংকটিতে পরিচালনা পর্ষদও গঠন করা হয়। তবে সম্প্রতি পর্ষদ চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দেওয়া হলেও তিনি যোগ দেননি।

নতুন সরকারের দুই মাসে ব্যাংকের এমডি ও চেয়ারম্যান নিয়োগের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এমনকি ব্যাংকগুলোর শাখা স্থানান্তর এবং আইটি ব্যবস্থাপনা একীভূত করারও কোনো অগ্রগতি নেই। এর পাশাপাশি আইন সংশোধনের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোতে আগের মালিকদের ফেরার সুযোগ করে দেওয়ায় আমানতকারীদের মধ্যে অস্থিরতা বেড়েছে। তাই এ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংক হলোÑএক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এক্সিম ব্যাংক ছিল বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের নিয়ন্ত্রণে এবং বাকি চারটি ছিল চট্টগ্রামের এস আলম

গ্রুপের কর্ণধার ও বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী সাইফুল আলমের নিয়ন্ত্রণে। তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকার সময় ব্যাংকগুলোতে ব্যাপক লুটপাটের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। এতে আর্থিক সংকট সৃষ্টি হওয়ায় ব্যাংকগুলো আমানতকারীদের অর্থও ফেরত দিতে পারছে না।

এমন অবস্থায় গত বছরের মে মাসে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এ অধ্যাদেশ এবং ব্যাংক কোম্পানি আইনের আলোকে শরিয়াহভিত্তিক এ পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হয়েছে।

ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা আর আমানতকারীদের ১৫ হাজার কোটি টাকার শেয়ার দেওয়া হবে। এছাড়া আমানত বীমা তহবিল থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা দিয়ে এসব ব্যাংকের আমানতকারীদের দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হচ্ছে। পুরো অর্থ পর্যায়ক্রমে ফেরতের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি স্কিম ঘোষণা করেছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের মেয়াদের শেষদিকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম অধিকতর দক্ষতা ও সমন্বিতভাবে পরিচালনা এবং ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে এক্সিম ব্যাংকের মহিলা ও টাওয়ার শাখা বন্ধ করে সেগুলো যথাক্রমেÑগুলশান শাখা এবং হেড অফিস করপোরেট শাখার সঙ্গে একীভূত করার কথা বলা হয়। অন্যদিকে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক গুলশান শাখার কার্যক্রম বন্ধ করে তা ইউনিয়ন ব্যাংকের গুলশান শাখায় স্থানান্তর করতে বলা হয়।

এছাড়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের করপোরেট শাখা এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখা বন্ধ করে এক্সিম ব্যাংকের হেড অফিস করপোরেট শাখায় স্থানান্তর করা হবে বলে জানানো হয়। তাছাড়া ইউনিয়ন ব্যাংকের বর্তমান প্রধান কার্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ করে সেখানে একটি ডেটা সেন্টার স্থাপন করা এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর করে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে নেওয়া ও ইউনিয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এক্সিম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে স্থানান্তরের জন্য বলা হয়। এছাড়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একক কোর ব্যাংকিং সিস্টেম চালুরও নির্দেশ দেওয়া হয়।

ব্যাংকগুলোর প্রশাসকরা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার জোরালো উদ্যোগ থাকলেও নতুন সরকারের সময় তা থমকে গেছে। এখন তারা রুটিন কাজ করে যাচ্ছেন। একীভূত কাজ এগিয়ে নেবেন কি নাÑএমন কোনো স্পষ্ট বার্তাও তারা পাচ্ছেন না। এজন্য শাখা বন্ধ বা স্থানান্তর এবং কোর ব্যাংকিং সিস্টেম চালুর বিষয়টি আটকে রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সম্মিলিতি ইসলামী ব্যাংক গঠনে শুরুতে যে ধরনের উদ্যোগ দেখা গেছে, তাতে এখন কিছুটা স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ব্যাংকগুলোর খরচ কমাতে শাখা বন্ধ ও স্থানান্তর করার নির্দেশ দিলেও তা এখনো কার্যকর হয়নি। এসব ব্যাংক লোকসানে থাকার কারণে আমানতকারীদের অর্থ দিয়ে বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হচ্ছে। শাখা বন্ধ ও ভাড়া অফিস বাদ দেওয়া গেলে ব্যাংকের খরচ কমানো যেত। তবে নতুন গভর্নর এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপের কথা জানায়নি। তাই সবকিছুতে স্থবিরতা দেখা যাচ্ছে।

ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম থমকে যাওয়ার কারণে নতুন করে আমানতকারীদের টাকা তোলার চাপ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ২৬ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন পাঁচ ব্যাংকের প্রশাসকরা।

বৈঠকে প্রশাসকরা বলেন, এসব ব্যাংকের আমানতকারীরা বেশ আগে থেকে টাকা তুলতে পারছেন না। একীভূত করে সরকারি মালিকানায় নেওয়ার খবরে তাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল। এর মধ্যে গত জানুয়ারিতে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের কোনো মুনাফা না দেওয়ার (হেয়ারকাট) সিদ্ধান্ত জানালে আবার অস্থিরতা তৈরি হয়। পরে অবশ্য ৪ শতাংশ হারে মুনাফার কথা বলায় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। কিন্তু গত ১০ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে সংশোধনীর মাধ্যমে ১৮ক ধারা যুক্ত করে আগের মালিকদের ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করায় নতুন করে আবার চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এখন আবার আমানত তুলে নেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত চাপ দেওয়া হচ্ছে। অনেক আমানতকারী শুরুতে দেওয়া ‘হেয়ারকাট’ মেনে কেবল মূল টাকা ফেরত চাচ্ছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসকরা আরো জানিয়েছেন, এসব আলোচনার মধ্যে ব্যাংকগুলো নতুন করে আর আমানত পাচ্ছে না। মাঝে যেসব ঋণের টাকা ফেরত এসেছিল, তা-ও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এই চাপ সামলে আইনে এ ধারা যুক্ত করার মাধ্যমে আসলে কী চাওয়া হচ্ছেÑসে বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিতে হবে। এর মাধ্যমে যদি আগের মালিকদের ফিরিয়ে আনা উদ্দেশ্য হয়, তাহলে কীভাবে ফেরত আনা হবে, আমানতকারীদের অর্থ ফেরত কীভাবে হবেÑএসব পরিষ্কার করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো দিকনির্দেশনা দেননি। কেবল বলেছেন, যখন যে পরিস্থিতি আসবে, তা মোকাবিলা করতে হবে।

এরই মধ্যে গতকাল (সোমবার) সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক রেজাউল হক মালিকানা ফেরত চেয়ে আবেদন করেন।

এদিকে গত শনিবার সচিবালয়ে প্রাক্‌-বাজেট আলোচনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানান, পাঁচটি ইসলামি ব্যাংকের একীভূতকরণ বিষয়ে সরকারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি বলেন, ব্যাংক রেজল্যুশন বিল পাস হওয়ার পর এ পাঁচটি ব্যাংকের বিষয়ে আমরা ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুভাবেই দেখতে পারি। এখন হয় করদাতাদের টাকা থেকে পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের পাওনা এক লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা দিতে হবে, যা কয়েক বছর লাগতে পারে। না হয় একটা নির্দিষ্ট সময় পর সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে রি-ক্যাপিটালাইজড করতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ সংশোধন করে সরকার ব্যাংকগুলোর পুরোনো মালিকদের এসব ব্যাংকের মালিকানায় ফেরত আসার সুযোগ রেখে বিল পাস করেছে, যার মধ্য দিয়ে একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংককে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে রূপান্তর করা হলেও ব্যাংকগুলোকে আবার প্রাইভেটাইজেশন করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে নানা সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

গত শনিবার একটি গোলটেবিল বৈঠকে প্রস্তাবিত ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ নিয়ে সরকার খুবই নিম্নমানের চালাকি করছে বলে মন্তব্য করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ওয়ারেসুল করিম। তিনি বলেন, রেজল্যুশন আইনে নতুন ধারা ব্যবহার করে এস আলম ও তার সংশ্লিষ্টদের রুগ্‌ণ ব্যাংকে ফিরিয়ে আনা নয়, বরং দেশের ইসলামি ব্যাংকের দখল নেওয়া এর উদ্দেশ্য হতে পারে। এমনভাবে আইন করা হবে, চাইলে তারা এক টাকা দিয়েও মালিকানায় আসতে পারবে। তিনি বলেন, মুদি দোকান বা অন্য ব্যবসার মতো করে ব্যাংক ব্যবসাকে ভাবলে হবে না। এখানে আস্থা ধরে রাখতে না পারলে পুরো দেশের অর্থনীতি ঝুঁকিকে পড়তে পারে।

বিআইবিএমের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের চোখের সামনে সব লুট হয়েছে। ফলে ব্যাংক রেজল্যুশন না করে বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্যও একটা রেজল্যুশন দরকার। তিনি আরো বলেন, এখন হয়তো বলা হচ্ছে, সরকার যে অর্থ দিয়েছে তার সাড়ে ৭ শতাংশ দিয়ে আগের পরিচালকরা মালিকানা নিতে পারবেন। এস আলমদের ফিরিয়ে আনতে একপর্যায়ে দেখা যাবে এ শর্ত শিথিল করে শূন্যে নামিয়ে আনা হয়েছে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক রাষ্ট্রমালিকানাধীন। এ বিষয়ে সরকারই এখন সিদ্ধান্ত নেবে, কী করবে। সবকিছু সরকারের ওপর নির্ভর করছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী বলেন, দুর্বল ব্যাংকগুলো একত্র করলেই যে সবল হবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই এবং শুরু থেকেই এটি নিয়ে শঙ্কা ছিল। বর্তমানে সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক—এসব ব্যাংক এককভাবে চালাবে, নাকি অন্য কোনো সমাধান খুঁজবে, সে বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি, যার ফলে পুরো বিষয় একটি স্থবির অবস্থার মধ্যে রয়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, এ দীর্ঘসূত্রতা যত বাড়বে, সমস্যার জটিলতা তত বাড়বে। সঠিক সময়ে, সঠিক সমাধান না করলে ক্ষতি বাড়বে। তিনি আরো বলেন, ব্যাংকগুলো আগের মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার যেকোনো সিদ্ধান্তের আগে যারা এ ব্যাংক লুটপাট ও অব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধীদের শাস্তি না হলে ভবিষ্যতে অন্যরা এ ধরনের অসৎ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতে উৎসাহিত হবে।

জানা গেছে, দুর্বল পাঁচ ব্যাংককে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন সময়ে ধার হিসেবে ৪৭ হাজার ৮৪ কোটি টাকা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত একীভূত পাঁচ ব্যাংকের ঋণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৯৬ হাজার ৮২৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি এক লাখ ৬৫ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা বা ৮৪ দশমিক ২৩ শতাংশ; পুরো ব্যাংক খাতে যেখানে খেলাপির হার ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ। একই সময়ে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৩ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ছিল দুই লাখ ৮২ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে পাঁচ ব্যাংকের ঘাটতি এক লাখ ৫০ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা।

আভিভা ফাইন্যান্সে প্রশাসক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের খেলাপি ৫৭ হাজার কোটি টাকা

সাউথইস্ট ব্যাংকের খেলাপি ঋণের ৭১ শতাংশই শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের

সরকারের ৫২ দিনে ব্যাংক ঋণ ৪৪ হাজার কোটি টাকা

এস আলমকে গ্রেপ্তারের দাবি ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের

এস আলমের কাছে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফেরাতে চাকরিচ্যুতদের অবস্থান

এক বছরে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ বেড়েছে দেড় লাখ কোটি টাকা

সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ ১১ লাখ কোটি টাকা ছুঁইছুঁই

বাজার থেকে ফের ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

আবারও নাবিল গ্রুপের এমডি ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব