হোম > বাণিজ্য > ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

এস আলমের কাছে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফেরাতে চাকরিচ্যুতদের অবস্থান

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে চাকরিচ্যুতদের বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত

এস আলম গ্রুপের কাছে ইসলামী ব্যাংকসহ ছয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়া এবং চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন এসব ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মীরা।

রোববার সকাল ১০টার দিকে মতিঝিলের দিলকুশা এলাকায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

সেখানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মীরা অবস্থান নেন।

বিক্ষোভকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহাল, এস আলমের হাতে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়া এবং বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের একটি বড় অংশ চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকার বাসিন্দা। এই এলাকাতেই এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের বাড়ি।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, ব্যাংক রেজুলেশনে আগের মালিকদের ব্যাংকে ফেরার সুযোগ দিয়ে আইন পাস করার পর চাকরিচ্যুত কর্মীরা সরব হয়ে ওঠেন। গত দুই দিন ধরে পটিয়া থেকে লোক এনে ঢাকায় অবস্থান করানো হয়। গতকাল শনিবার কয়েক হাজার মানুষ ঢাকায় পৌঁছান। রাতে রাজধানীর বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করেন।

বিক্ষোভকারীরা রোববার সকাল থেকে মতিঝিলের ব্যাংকপাড়া এবং সচিবালয়ের আশপাশে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় তারা বলেন, আমাদের কোনো নোটিশ ছাড়াই চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আমরা অতিদ্রুত চাকরি ফেরত চাই। চাকরি ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি ৫ আগস্টের আগের মালিকদের কাছে ব্যাংক ফেরত দেওয়ার দাবি তুলে ধরেন।

যদি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দাবি না মানা হয় তাহলে বড় আন্দোলনের গড়ে তোলার হুঁশিয়ার দিয়ে ব্যাংকের সামনে থেকে তারা সরে যান।

এসব ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ করে কারও চাকরি চলে গেছে, বিষয়টি তেমন নয়। ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে শুরুতে তাদের সনদ যাচাই করা হয়। এরপর একটি মূল্যায়ান পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। সেই পরীক্ষায় যারা অংশ নেননি এবং যাদের সনদে জালিয়াতি পাওয়া গেছে, কেবল তাদেরই চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ফলে তাদের ফেরানোর সুযোগ নেই।

তারা জানান, এসব বাংক থেকে নামে-বেনামে এস আলমের প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা বের করার তথ্য-প্রমাণ পায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কারণে ব্যাংকগুলোর পর্ষদ ভেঙে পুনর্গঠন করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার মতো অবস্থা না থাকায় এরই মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক একীভূত করা হয়েছে। আল-আরাফাহ ইসলামী ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ করা স্বতন্ত্র পরিচালক দিয়ে।

বন্ধুকে সালমান শাহকে স্মরণ করলো মৌসুমী

ভারত-পাকিস্তানের বহুজাতিক টুর্নামেন্টে যুক্ত হতে পারে বাংলাদেশও

রাঙ্গাবালীতে মাছ ধরার ট্রলারে বজ্রপাত, দুই জেলে নিহত

সংঘাত নয়, সমঝোতার রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিষেধাজ্ঞাকে ফাঁকি দিয়ে মার্কিন ব্যাংকে ইরানের ৯ বিলিয়ন ডলার লেনদেন

‘সরকারি স্থাপনা কী করে নামাজ পড়া হলো’ প্রশ্ন বজরং নেতার

মদনে ৫ বোতল দেশীয় মদসহ যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল পাস না করার আহ্বান জামায়াত এমপির

কেন বিপিএল হচ্ছে না, এ নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি, তৃতীয় দফায় নতুন গুগল ফর্ম