সদ্য বিদায় নেওয়া ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি কমেছে। ফলে রপ্তানি আয় কমেছে ১২ শতাংশ। এর ফলে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের আট মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।
সোমবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
ইপিবি বলেছে, সামগ্রিক রপ্তানিতে পতনের পেছনে বন্দর কার্যক্রমে বিঘ্ন, জাতীয় নির্বাচন এবং বৈশ্বিক প্রধান বাজারগুলোয় চাহিদা কমাই দায়ী।
ইপিবির তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি মোট আট মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩২ দশমিক ৯২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ সামগ্রিক রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।
এই সময়ে রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতে রপ্তানি হয়েছে ২৫ হাজার ৭৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ কম। এই খাতের মধ্যে নিটওয়্যার পণ্য শক্ত অবস্থান বজায় রেখে ওভেন পোশাকের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে।
এদিকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং হিমায়িত মাছসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বছরওয়ারি ভিত্তিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
রপ্তানি গন্তব্যের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার। এ সময়ে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ৫ হাজার ৮৭৪ দশমিক ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ। চীনেও রপ্তানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ১২ শতাংশ।