হোম > রাজধানী

‘পাহাড়ে মশলা চাষ ও প্রাণিসম্পদ বাড়াতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে’

স্টাফ রিপোর্টার

উন্নতমানের ও মূল্যবান প্রজাতির গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেছেন, শিশু গাছ বা নিম্নমানের গাছ বড় হওয়ার পর মূলত জ্বালানি কাঠ কিংবা সীমিত পরিসরে কমমূল্যের আসবাব তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। তাই আমাদের অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দিক বিবেচনা করে মূল্যবান প্রজাতি বাছাই করে গাছ রোপণ করতে হবে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘ঢাকা শেকড়’ ও ‘গ্রীনওয়াচ’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ঢাকার সবুজায়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সবুজায়নের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আজকের আলোচনায় গাছ ও বৃক্ষরোপণের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে ছাদবাগান, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও নগরের সবুজায়নের মতো বিষয়গুলো জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এসব বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হ্যান্ডবিল ও ভিডিও ফুটেজসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানো যেতে পারে। রাজধানী ঢাকাকে আরও সবুজ ও বসবাসযোগ্য করতে কোথায় কী ধরনের গাছ লাগানো প্রয়োজন এবং কীভাবে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা যায়, সে বিষয়ে একটি সুপরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেন তিনি। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, বিশেষজ্ঞ ও গণমাধ্যমসহ সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, পাহাড়ে অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময় অনেক কিছু করার সুযোগ রয়েছে। এমন ধরনের বৃক্ষ ও কৃষিপণ্য নির্বাচন করতে হবে, যার মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী লাভবান হয়, জীবনযাত্রার মান উন্নত হয় এবং পাহাড়ের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়। পাহাড়ে প্রাণিসম্পদ খাতের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের মতো উচ্চমূল্যের প্রাণিসম্পদ নিয়ে খামারভিত্তিক কিংবা উন্মুক্ত—উভয় পদ্ধতিতেই বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া যেতে পারে।

পাশাপাশি মশলাজাতীয় পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের মশলা আমদানি করতে হয়। পাহাড়ে মশলাজাতীয় ফসলের উৎপাদন বাড়ানো গেলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে পাহাড়ের মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধি পাবে।

গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বে গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। গণমাধ্যমের লেখনী, গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি ও উপস্থাপন শৈলী যেকোনো উদ্যোগকে বৃহত্তর পরিসরে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারে। পাহাড়ের সম্ভাবনা ও পরিবেশ রক্ষার বিষয়গুলো মানুষের কাছে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। এ ছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকৃতি ও বৃক্ষ সংরক্ষণের বিষয়ে প্রতিটি ধর্মেই তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা শেকড়ের ট্রাস্টি হাজী মোতালেব মাশরাকির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন গ্রীনওয়াচের সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, কৃষিবিদ ড. মেহেদী মাসুদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী আয়োজকদের মধ্যে বিভিন্ন ফলজ গাছের চারা বিতরণ করেন।

বিয়ের তিন মাসের মাথায় কদমতলীতে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী পলাতক

কোরআন সম্পর্কে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি খতমে নবুওয়াতের

মুসলিম বিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে উঠতে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই প্রস্তুতির আহ্বান

হানিফ ফ্লাইওভারে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

রাজধানীতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিদেশি সিগারেট জব্দ

শাপলা স্মৃতি সংসদের ‘শাপলা কর্নার’ পরিদর্শন করলেন মাওলানা মাহফুজুল হক

মক্কায় হামলার অপচেষ্টার নিন্দা তাহাফফুজে খতমে নবুওয়তের

সীরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে বছরব্যাপী প্রতিযোগিতার আয়োজন

মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে মোটরসাইকেল ও টাকা ছিনতাই

রাতের সড়কে থেমে গেল শিক্ষিকা তিশার জীবন