হোম > রাজধানী

এনআইডির তথ্য বিক্রি করে কোটি টাকা আয়, ইসির কর্মচারীসহ গ্রেপ্তার ২

স্টাফ রিপোর্টার

জাতীয় পরিচয়পত্রের গোপন তথ্য জালিয়াতি ও বিক্রির একটি বড় চক্র উন্মোচন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। নির্বাচন কমিশনের কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস অ্যাসিস্টেন্ট ও একজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটরকে এ অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা গোপন আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সারা দেশের নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বিক্রি করতেন এবং মাসে কোটি টাকার বেশি আয় করতেন।

গত ১৪ জানুয়ারি রাতে ঢাকার আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন অফিস এলাকা থেকে মো. আলামিন (৩৯) নামে এক ডাটা এন্ট্রি অপারেটরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ১৫ জানুয়ারি রাত ১২টার পর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকা থেকে মো. হাবীবুল্লাহ (৪১) নামে নির্বাচন কমিশনের একজন কম্পিউটার অপারেটরকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুইটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, মো. হাবীবুল্লাহ ২০০৮ সালে গজারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে যোগদান করেন এবং পরে ঢাকা অফিসে বদলি হন। ২০২৫ সালের এপ্রিলে তিনি আবার গজারিয়া অফিসে ফিরে যান। অন্যদিকে, মো. আলামিন একজন আউটসোর্সড ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে দীর্ঘদিন নির্বাচন কমিশনে কাজ করেছেন। তার কাছে থাকা গোপন লগইন আইডি ও পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে সারাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেখার এবং পরিবর্তন করার অনুমতি ছিল।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মো. আলামিন তার এই সর্বোচ্চ অ্যাক্সেসসম্পন্ন আইডি ও পাসওয়ার্ড মো. হাবীবুল্লাহকে দিয়েছিলেন, যার বিনিময়ে প্রতি সপ্তাহে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা পেতেন। মো. হাবীবুল্লাহ তখন এই অ্যাক্সেস ব্যবহার করে প্রতিটি পরিচয়পত্রের তথ্য ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় অনলাইনে বিক্রি শুরু করেন। নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাত্র এক সপ্তাহে ১ লাখ ১২ হাজার ১৫০টি এবং এক মাসে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬০৮টি জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেখা হয়েছে। প্রতি তথ্য ৩০০ টাকা হিসাবে এক মাসে প্রায় ১১ কোটি টাকা আয় করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গ্রেপ্তারকৃত দুই সদস্য প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের মূল সার্ভারে প্রবেশ করে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপ ও ব্যক্তিবিশেষের কাছে বিক্রি করতেন। অপরাধলব্ধ অর্থ দিয়ে তারা ঢাকায় ফ্ল্যাট কিনেছেন এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন।

এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইন ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) মামলাটির তদন্ত করছে।

বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

রাজধানীতে ছাদ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

ঢাকার ৬ থানা এলাকায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৬০

বাস ও লঞ্চে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধির পায়তাঁরা বন্ধের আহ্বান

স্কুল পড়ুয়া কিশোরকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক গ্রেপ্তার

আবাসিক এলাকায় অটোরিকশা প্রবেশে বাধা দেয়ায় নিরাপত্তা প্রহরীকে হত্যা

ডিআরইউর সঙ্গে পুপরোয়ার মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

পূর্বশত্রুতা ও আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে আসাদুলকে হত্যা

মঞ্চ ২৪-এর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতৃত্বে ওমর ফারুক ও তূর্য

অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর