হোম > রাজধানী

সিনহা হত্যা মামলার দ্রুত বিচার শেষে রায় কার্যকরের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার

মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান (অবঃ) হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের সংগঠন এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান। এসময় লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক লে. কমান্ডার (অব) মেহেদী।

মেজর সিনহার মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিচারকার্য শেষ করার নির্দেশনার জন্য প্রধান বিচারপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আশা করছি, চলমান শুনানি আগামী সপ্তাহেই শেষ হবে এবং উচ্চ আদালত প্রদীপ কুমার দাশ ও লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখবেন।

পলাতক ফ্যাসিস্টদের দোসরদের কারণে বিচার বিলম্বিত হয়েছে উল্লেখ করে মেহেদী বলেন, জুলাই বিপ্লবের পরবর্তীতে দেখা গেছে- গণহত্যা, গুম-খুন ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িতদের বিচার প্রক্রিয়া বারবার নানা ভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।

সাবেক এই সামরিক কর্মকর্তা বলেন, আমরা অন্তবর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি, রায় ঘোষণার পরবর্তী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তা কার্যকর করতে হবে। অন্যথায় এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন তাদের সাবেক সহকর্মী হত্যার রায় কার্যকর করার দাবিতে কঠোর থেকে কঠোরতম কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

মেহেদী বলেন, একই সাথে আমরা শিশু আছিয়া, পারভেজ ও তোফাজ্জল হত্যাকাণ্ডসহ জুলাই-আগস্টে গণহত্যার বিচারিক কার্যক্রম দ্রুততার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার জোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এসকল হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রমের প্রতি তীক্ষ্ণ নজর রাখছি।

তিনি বলেন, ওসি প্রদীপ কুমার দাশের মতো নৃশংস, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে পারলেই বিচার বিভাগ ও সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় হবে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানে পলাতক ফ্যাসিস্টদের দোসর, গুম-খুন ও গণহত্যাকারীদের বিচার কাজ সুগম করবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব সাইফুল্লাহ খান সাইফ, মুখ্য সংগঠক সৈনিক নাইমুল হাসান, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ক্যাপ্টেন শুভ, উপদেষ্টা লে. কর্ণেল (অব) সাখাওয়াত, সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব মেজর রাজিবুল হাসান, সাবেক নৌবাহিনী কর্মকর্তা সাইদ আলী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার জেলার টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামসাপুর পুলিশ চেকপোস্টে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান পুলিশের গুলিতে নির্মমভাবে প্রাণ হারান। এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে ব্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) তদন্ত শেষে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

মোড়ে মোড়ে ‘অদৃশ্য পুলিশ’, এআই ক্যামেরায় ছয় শতাধিক মামলা

দরবারে বিশৃঙ্খলার খবর বিভ্রান্তিকর, ব্যাখ্যা দিল আনসার-ভিডিপি সদর দপ্তর

বিক্রি হলো ‘সুলতান ভাই’, অপেক্ষায় ‘কাশ্মীরি সুলতান’

পশুর হাটে কঠোর নজরদারি: র‌্যাব মহাপরিচালক

তামাক কোম্পানির প্রচারণা ও প্রলোভন বন্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ জরুরি

অবৈধ চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে জনকণ্ঠ ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

মাঠভর্তি পশু দর্শনার্থীও বিপুল, তবে বেচাকেনার খাতা শূন্য

চকলেটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

দৌলতপুরের ‘ফাটাকেষ্ট’র দাম ৩ লাখ

রামিসা হত্যা জাতির জন্য জাতীয় লজ্জা: তথ্যমন্ত্রী