আসন্ন বাজেটে বিড়ি শিল্পে শুল্ক বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা থাকলে সারা দেশের ১৮ লাখ বিড়ি শ্রমিক নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন। পাশাপাশি বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করা ও বিড়ি শ্রমিকদের কর্মদিবস বৃদ্ধি করাসহ পাঁচ দাবি জানায় সংগঠনটি।
সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব দাবি জানান সংগঠনের নেতারা।
বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হারিক হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- ফেডারেশনের সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান, আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল গফুর, আবুল হাসনাত লাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বিড়ি শিল্পের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ি শিল্পে শুল্ক বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা থাকলে সারা দেশের ১৮ লাখ বিড়ি শ্রমিক নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
তারা আরো বলেন, নকল বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রি এই শিল্পের জন্য বড় হুমকি। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে এবং প্রকৃত রাজস্ব প্রদানকারীরা মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এছাড়া বর্তমানে দেশের তামাক বাজারের ৮০ শতাংশ নিম্নস্তরের সিগারেট দখল করে আছে। তাই বিড়ি শিল্প রক্ষায় নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে তাদের দাবিগুলো হলো- বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করা, বিড়ি শ্রমিকদের কর্মদিবস বৃদ্ধি করা, নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধি করা, বিড়ি ফ্যাক্টরির লাইসেন্স থাকলেই ব্যান্ডরোল উত্তোলন বাধ্যতামূলক করা ও নকল বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ করা।
এএস