দেশের শীর্ষ জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের ম্যানেজার’স কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের প্রায় ৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়। বুধবার কক্সবাজারের হোটেল লং বিচে এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কোম্পানির চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. কাজিম উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কোম্পানির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মাসুদ হোসেন, পরিচালক বিলকিস নাহার, পরিচালক রাজিয়া সুলতানা, এনএলআই সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার রেদওয়ান হোসেন, পরিচালক মাহমুদ হাবীব জামান ও পরিচালক শাহীনুর মিনহাজ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কোম্পানির ডিএমডি ও সিএফও প্রবীর চন্দ্র দাস এফসিএ, ডিএমডি মো. আবুল কাসেম ও বাহার উদ্দিন মজুমদার এবং তাকাফুল কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী জি এম হেলাল উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ন্যাশনাল লাইফ যথাসময়ে গ্রাহকের দাবি পরিশোধ করে। ন্যাশনাল লাইফের প্রিমিয়ামের টাকা বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ হয়ে থাকে। একই সঙ্গে সরকারি বন্ডেও বিনিয়োগ করা হয়। এতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ন্যাশনাল লাইফ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বীমা জীবনের আর্থিক নিরাপত্তার পাশাপাশি সম্পদের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। তাই প্রত্যেক মানুষের ও সম্পদের বীমা থাকা প্রয়োজন। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে শতভাগ মানুষ বীমার আওতায় রয়েছে। পরিসংখ্যান পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনায় দেখা যায়, ন্যাশনাল লাইফ দেশের এক নম্বর বীমা কোম্পানি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতেও ন্যাশনাল লাইফ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে।
কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা মানুষের বাড়ি গিয়ে বীমার টাকা পৌঁছে দিই। এ জন্য ন্যাশনাল লাইফের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে।’ তিনি বলেন, বীমা পেশা অনেক সম্মানের। বীমার মাধ্যমে মানুষের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। একই সঙ্গে বীমা কর্মীরা আর্থিকভাবে বেশ স্বাবলম্বী হন।
অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের মাঝে প্রায় ৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়।