হোম > কর্পোরেট

পেশাজীবী ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ারর্ড পেলেন মো. শাখাওয়াত হোসেন

আমার দেশ অনলাইন

বাংলাদেশের আতিথেয়তা ও পর্যটন শিল্পে নেতৃত্ব, পেশাগত উৎকর্ষ এবং দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. শাখাওয়াত হোসেন পেয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘হু’স হু বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, এমপি তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন।

রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে সম্মানিত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জি.কে.এম. মুস্তাফিজুর রহমান (কৃষি), খ্যাতিমান চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার পপি (ববিতা) (শিল্প ও সংস্কৃতি) এবং দৃক-এর প্রতিষ্ঠাতা শহীদুল আলম, যিনি আজীবন সম্মাননা অর্জন করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশা ও অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মো. শাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসি বাংলাদেশের আতিথেয়তা খাতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির অধীনে পরিচালিত দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা, শেরাটন ঢাকা এবং হ্যানসা প্রিমিয়াম রেসিডেন্স দেশের হোটেল ও পর্যটন সেবায় আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করে আসছে। পাশাপাশি টেকসই আতিথেয়তা চর্চা ও পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সম্মাননা গ্রহণ করে মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, এই অর্জন ব্যক্তিগত নয়, বরং তাঁর সহকর্মীদের সম্মিলিত পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের ফল। তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের আতিথেয়তা ও পর্যটন খাতকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যেতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এর আগে তিনি সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডসে ‘ট্যুরিজম ফেস অব সাউথ এশিয়া’, নেপালের হাই-এইম কনফারেন্সে ‘বেস্ট হোটেলিয়ার অব বাংলাদেশ’, আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ডসে ‘বেস্ট হসপিটালিটি আইকন’, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (TOAB) থেকে ‘হসপিটালিটি বিজনেস প্রফেশনাল অ্যাওয়ার্ড’ এবং বিআইএইচএ থেকে ‘মোস্ট অ্যাওয়ার্ডেড হোটেলিয়ার অব ২০২৪’সহ একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।

উল্লেখ্য, ‘হু’স হু’ হলো যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি মর্যাদাপূর্ণ ডিরেক্টরি, যেখানে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জীবনী অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৮৪ সাল থেকে এটি নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে। ঢাকায় এটি পঞ্চমবারের মতো আয়োজন করা হয়, যেখানে নেতৃত্ব, উদ্ভাবন ও সমাজে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

মো. শাখাওয়াত হোসেনের এই অর্জন বাংলাদেশের আতিথেয়তা ও পর্যটন খাতে কর্মরত পেশাজীবীদের জন্য অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

দুর্গাপূজায় ৬৮০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার

রূপালী ব্যাংকের খুলনা বিভাগে ব্যবসায়িক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা

চট্টগ্রাম সমিতির উদ্যোগে গুণীজন সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

পথশিশুদের পাঠদান থেকে বহুমুখী মানবিক কার্যক্রম, ১৫ বছরে মাস্তুল ফাউন্ডেশন

চট্টগ্রাম মোটর ফেস্টে নাসির সিনট্যাক্সের জমকালো উপস্থিতি

শিশু-কিশোরদের নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে গড়ে তুলতে হবে: আলী আফজাল

সরকারি ক্রয়ে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যকে অগ্রাধিকার দিতে বিপিপিএর পরামর্শ সভা

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক লিভার ক্যান্সার ক্লিনিকের যাত্রা শুরু

ড্যাফোডিলে শেষ হলো পাঁচ দিনব্যাপী ‘সাসটেইনেবিলিটি উইক ২০২৬’

সামুদ্রিক খাতে সহযোগিতা জোরদারে বিএমইউ ও বিআইডব্লিউটিসির সমঝোতা স্বাক্ষর